জোড়া জানালার কাব্য
তুই জানালা খুললেই রঙধনু ওঠে
আবির রাঙায় ঠোঁটে
ঐ সুদূরের আকাশটা নেমে আসে
তোর জোড়া ভ্রুপল্লবে।
রঙিন ঘুড়ি হাজার প্যাঁচে সুতোর লাটাই
দেখ আমি বন্ধ ঘরে একলা একা, কেমন করে কাটাই।সম্পূর্ণ
তুই জানালা খুললেই রঙধনু ওঠে
আবির রাঙায় ঠোঁটে
ঐ সুদূরের আকাশটা নেমে আসে
তোর জোড়া ভ্রুপল্লবে।
রঙিন ঘুড়ি হাজার প্যাঁচে সুতোর লাটাই
দেখ আমি বন্ধ ঘরে একলা একা, কেমন করে কাটাই।সম্পূর্ণ
এই অযাচিত অশোভন বেদনার কথায় কবিতা আমি লিখছি না, এই অসময়ে এসে বিরহের কাব্যি আমি আওড়াচ্ছি না। কতটুকু অবহেলায় ছাই থেকে থেকে হীরে হয়ে উঠে, কত কাল পর? সে কথাও আমি বলছি না অষ্টাদশীর মতো যৌবনের সাধ নিয়ে সমস্ত শরীরে—সম্পূর্ণ
মাথা ঝুঁকে আছে ঋণ, বেদনা রঙিন
ভুল জলে দিই ডুব।
হৃদয়ের নোনা-পানি, ফুরোবে না জানি
আমি ভালো বাঁচি খুউব..
সড়ে আসি ধীরে, ভুল মাথার কিড়ে
এখনো জমে আছে তবু।সম্পূর্ণ
দুপুর কাকে দিবো? কাকে দিবো স্মিত গোধূলী বিকেল?
জলে-তেলে মিশবে না জেনেও আমি ভেসে আছি তেল।
প্রথমে যা দ্যাখো মুখশ্রী তা বিজ্ঞাপন। ভিতরে স্রেফ বুক
প্রেম যেন বুনিয়াদী কবিত্ব, ভালোবাসা কেবলই হিংসুক।
সম্পূর্ণ
এই গর্ভবতী পূর্ণিমায়—
রাত ডাকে আয়, চাঁদ ডাকে আয়, জন্ম ডাকে আয়, মৃত্যু ডাকে আয়
ঐ দূর নক্ষত্র থেকে ডাকে আমার মা’য়
আয়, আয়, আয়..
কবি কেবলি তোমাকেই হারায়।সম্পূর্ণ
এই দেখো লালা, এই দেখো উষ্ণতা, এই দেখো মানুষীর গন্ধ।
এরকম ছবি দেখোনি তোমরা— এত মায়া, এত প্রেম, এত ভুল,
এত ফুল দিয়ে কেউ আঁকেনা কোন সাবালিকাকে_
পানা ফুলের বেগুনির সাথে ঈষৎ কালো মিশিয়ে এঁকেছি
শরীর, ঠোঁটে সন্ধ্যে মালতী, চোখ জোড়া তালপাতার বৈকালি পাখা।
সম্পূর্ণ
যাওয়াই সহজ বরং থাকা’ই কঠিন —
মা মরা ছেলে উচ্ছনে যায় সবাই বোধহয় জানি।
সব মৌমাছি সেইখানে যায়, যেইখানে যায় রাণী;
ফুল কি জানে? এ পৃথিবী ফুলের নয় পাথরের ফুলদানি!
ঘুম ভেঙে গেলে, ফুল ছিটাবো প্রিয়তমার লাশে।সম্পূর্ণ
কি রে? ভাত তো গিলিস না, রুটি খাবি একটা? রুটি..
নাহ্ টুঁটি খাবো, টুঁটি। মানুষের টুঁটি খাবো।
এ্যাঁহ! কিহ্?
ও তুমি বুঝবে না দিদা। যাও তো..
সম্পূর্ণ