| কবিতা | সানন্দা |
| কবি | মাহু মাহবুব |
এইবার নিজেকে নতুন মোড়কে ঢেকে এগিয়ে যাও, দেখি।
দেখি তোমায় কতোটা কুমারী লাগছে!
দেখি, কতোটুকু সময় লাগছে তোমার
লজ্জা দিয়ে সর্বাঙ্গ ধুতে।
না না, ওভাবে তাকিও না,
কুমারী সাজের তাল কেটে যাবে তাহলে।
মনে রেখো, কেউ যেনো বুঝতে না পারে
তোমার ভেতর অনেক রোদ্দুর পিঠ দিয়ে শুয়েছে।
কেউ যেনো বুঝতে না পারে-
তোমার অন্তর্বাসে ঝর্ণার গিন্নিপনা অনেকদিনের।
তোমার মধ্যে তিলে তিলে গর্ভ পাতছে আমার যে আয়ুষ্কাল-
তার কথা এখন যেনো কেউ না জানে।
কেউ যেনো বুঝতে না পারে,
তুমিই সেই পুরুষবিদ্ধ নারী, প্রেম যার দিকে হাত বাড়ালে
লেজুড়ের মতো মধ্যপর্বে শরীর এসে বসে।
কেউ যেনো ঘুণাক্ষরেও জানতে না পারে,
তুমিই সেই পাপপূর্ণ রাক্ষসী’
যার পায়ের ভাঁজে বাৎসায়নও দুগ্ধশিশু।
তুমি - তুমিই সেই বারুণী মেয়ে,
যার শিয়রে ক্রান্তিকালে গোল হয়ে দাঁড়ায় ময়ূর।
সমস্ত মেরুমুখ শুষে, সভাপর্বে
এবার তাকাও - তাকাও তোমার সামনে বসা
কাঠভস্ম সংসারে।
মাথা খাও চাক্ষুষ পুরুষটির।
যেমন একদিন আমাকে খেয়েছিলে,
নীল মদের গেলাসে -
উল্টেপাল্টে।