কবিতা উৎসর্গ মেঘ
কবি মাহু মাহবুব

অথচ আগুনকে আগুন বলে চিনি, জলদেহ জল।
পড়ে থাকে তেঁতুলের পাতা উঠে আসে সুজন সম্বল।
পরিজন বলো কাকে? যারা রোজ কানাকানি কালে
নিষাদের মতো থাকে। ঘটি পাতে আত্মীয় পাতালে।
এই দ্যাখো গৃহদ্বার আঁকা। এই দ্যাখো আলতার লাল।
তুমি তো প্রেমিকা নও। তুমি শুধু শাঁখা ও সকাল
দিয়ে যাও স্বামীটির কাছে। এই দ্যাখো বিয়ের আদরে
রেখেছো ভাতের গন্ধ, মাটি হও মাটি হও, শরীরে চাদরে।
এর বেশি কুয়োভাঙা মন.. উলকাঁটা বুনে যাওয়া বাঁক।
গভীরে আকাশ রাখো, নাভি থেকে সৃষ্টি জন্মাক।

অথচ তুমুল দুপুরে আগুন বলে চিনেছিলে যাকে,
তার বুকে রাত ছিলো, পুরুষালি পাতাটির ফাঁকে
দ' হয়ে পড়ে থাকা দেহ.. সরীসৃপ লতাটির মতো
ভেসে যাক বাস্তুহারা পাপ... নষ্টমতী বীর্যশালী ক্ষত।

কালো মৃত্যু আলো জন্ম এই নিয়ে কতো আলোচনা,
চতুরানন পুড়িয়ে দাও, বালি চোখে গৃহস্থ সাধনা।
পুড়ে যাক সুখের আসন, চাঁদসূর্য বাতাসের বেগ..
তোমাকেই অনুরক্ত ডেকেছি, উঠে দাঁড়াও উৎসর্গ মেঘ।
এইবার আমি হও... এলোপাথাড়ি ঢেউ ছুঁয়ে দিক।
রানী হও নারী হও... কি ভীষণ তীব্র পৌরাণিক।

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted