বেলুন
ছেলে শিশুটার হাতে একটা বেলুন
মেয়ে শিশুটার হাতে একটা বেলুন
একই রঙ, আকার আর হৃদয়াকৃতির
একসাথে কিছুক্ষণ খেলবে ওরা, হাসবে, কথা বলবে
নিজেদের ভাষায়
ক্রমে অন্যকোনো খেলার দিকে চলে যাবে মন
দুই বেলুন উড়ে যাবে দুইদিকে তারপর
আমরা ভাববো—
জড় কীভাবে রপ্ত করলো জীবের আচরণ…।
আমি, মা এবং শীতকাল
শীতকাল চলে আসছে… আমি জানি, মাঅনেকদিন পর্যন্ত ভাপা পিঠা খাবেন না!অনেকদিন ধরে আমি পৃথিবীর বাইরেঘুরাঘুরিসম্পূর্ণ
আমার না থাকা-রা
এইসব বিমর্ষ ভাবাপন্ন পৃথিবীতে একদিনআমি আর কোথাও থাকবো না, তবুওপৃথিবীর গাঢ়তর নিয়মের মতন আমারগল্প আরসম্পূর্ণ
আজ সকালবেলা
মাঠের সামনের ঝুল বারান্দায় শীতের সকালে রোদ এলে বেতের চেয়ারে আমি কবির মত বসে থাকিসম্পূর্ণ
আত্ম-অস্ত্রাগার
মাথার উপরে এক শয়তানের কু-বিশাল ছায়া।। কুচক্রী চক্রের দশা হয়ে মেলে আছে তার মহাজনী খাতা।।সম্পূর্ণ
কুড়ি বছর পরে
আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা হয় যদি! আবার বছর কুড়ি পরে- হয়তো ধানেরসম্পূর্ণ
স্বপ্নের ধ্বনিরা
স্বপ্নের ধ্বনিরা এসে বলে যায়: স্থবিরতা সব চেয়ে ভালো; নিস্তব্ধ শীতের রাতে দীপ জ্বেলে অথবাসম্পূর্ণ
ধান কাটা হয়ে গেছে
ধান কাটা হয়ে গেছে কবে যেন — ক্ষেত মাঠে পড়ে আছে খড় পাতা কুটো ভাঙাসম্পূর্ণ
ফিরে এসো চাকা ১৫ – গুনে গুনে ছেড়ে দিই…
গুনে গুনে ছেড়ে দিই, নিজেও সুস্থির পায়ে নামি, জাহাজডুবির পরে; শীতল আঁধারে মিশে থাকি। বরংসম্পূর্ণ


