স্বপ্নের হাত
পৃথিবীর বাধা — এই দেহের ব্যাঘাতেহৃদয়ে বেদনা জমে — স্বপনের হাতেআমি তাই আমারে তুলিয়া দিতেসম্পূর্ণ
হঠাৎ তোমার সাথে
হঠাৎ তোমার সাথে কলকাতাতে সে এক সন্ধ্যায়উনিশশো চুয়াল্লিশে দেখা হ’ল- কত লোক যায়তড়াম বাস ট্যাক্সিসম্পূর্ণ
হৃদয়ে প্রেমের দিন
হৃদয়ে প্রেমের দিন কখন যে শেষ হয় — চিতা শুধু পড়ে থাকে তার,আমরা জানি নাসম্পূর্ণ
হেমন্ত কুয়াশায়
সকাল-সন্ধ্যাবেলা আমি সেই নারীকে দেখেছিজেনেছি অনেক দিন- তারপর তবুও ভেবেছি।তারপর ঢের দিন পৃথিবীর সেই শাদাসম্পূর্ণ
হেমন্তের রাতে
শীতের ঘুমের থেকে এখন বিদায় নিয়ে বাহিরের অন্ধকার রাতেহেমন্তলক্ষ্মীর সব শেষ অনিকেত অবছায়া তারাদেরসমাবেশ থেকেসম্পূর্ণ
সেই দিন এই মাঠ
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি—এই নদী নক্ষত্রের তলেসেদিনও দেখিবে স্বপ্ন–সোনার স্বপ্নের সাধসম্পূর্ণ
সোনালি অগ্নির মতো
সোনালি অগ্নির মতো আকাশ জ্বলছে স্থির নীল পিলসুজে;পৃথিবীর শেষ রৌদ্র খুঁজেকেউ কি পেয়েছে কিছু কোনোসম্পূর্ণ
সোনালী ডানার শঙ্খচিল
মনে পড়ে সেই কলকাতা–সেই তেরোশো তিরিশ–বস্তির মতো ঘর,বৌবাজারের মোড়ে দিনমানট্রাম করে ঘরঘর।আমাদের কিছু ছিল নাসম্পূর্ণ
স্থবির যৌবন
তারপর একদিন উজ্জ্বল মৃত্যৃর দূত এসেকহিবেঃতোমারে চাই- তোমারেই,নারী;এইসব সোনা রূপা মসলিন যুবাদের ছাড়িচ’লে যেতে হবেসম্পূর্ণ