সুবিনয় মুস্তফী
সুবিনয় মুস্তফীর কথা মনে পড়ে এই হেমন্তের রাতে।একসাথে বিড়াল ও বিড়ালের-মুখে-ধরা-ইঁদুর হাসাতেএমন আশ্চর্য শক্তি ছিলসম্পূর্ণ
সিন্ধুসারস
দু-এক মুহূর্তে শুধু রৌদ্রের সিন্ধুর কোলে তুমি আর আমিহে সিন্ধুসারস,মালাবার পাহাড়ের কোল ছেড়ে অতি দূরসম্পূর্ণ
সুদর্শনা (অপ্রকাশিত)
সুদর্শনা মিশে যায় অন্ধকার রাতেনদীর এ পারে বসে একদিনও দেখে নি ওপারপ্রকৃতি চায় নি সেইসম্পূর্ণ
সূর্য নক্ষত্র নারী
এক তোমার নিকট থেকে সর্বদাই বিদায়ের কথা ছিলোসব চেয়ে আগে; জানি আমি।সে-দিনও তোমার সাথে মুখ-চেনাসম্পূর্ণ
সূর্য রাত্রি নক্ষত্র
এইখানে মাইল-মাইল ঘাস ও শালিখ রৌদ্র ছাড়া কিছু নেই।সূর্যালোকিত হ’য়ে শরীর ফসল ভালোবাসিআমারি ফসল সব-সম্পূর্ণ
সূর্যকরোজ্জ্বলা
আমরা কিছু চেয়েছিলাম প্রিয়;নক্ষত্র মেঘ আশা আলোর ঘরেঐ পৃথিবীর সূর্যসাগরে দেখেছিলাম ফেনশীর্ষ আলোড়নের পথেমানুষ তাহারসম্পূর্ণ
সে কত পুরনো কথা
সে কত পুরনো কথা-যেন এই জীবনের ঢের আগে আরেক জীবনতোমারে সিঁড়ির পথে তুলে দিয়ে অন্ধকারেসম্পূর্ণ
সন্ধ্যা হয়
সন্ধ্যা হয় — চারিদিকে মৃদু নীরবতাকুটা মুখে নিয়ে এক শালিখ যেতেছে উড়ে চুপে;গোরুর গাড়িটি যায়সম্পূর্ণ
সন্ধ্যা হয়ে আসে
সন্ধ্যা হয়ে আসে- সন্ধ্যা হয়ে আসেএকা একা মাঠের বাতাসেঘুরি আমি- বসি আমি ঘাসে ওই দূরেসম্পূর্ণ
সময় মুছিয়া ফেলে সব এসে
সময় মুছিয়া ফেলে সব এসে,সময়ের হাতসৌন্দর্যেরে করে না আঘাতমানুষের মনেযে সৌন্দর্য জন্ম লয়- শুকনো পাতারসম্পূর্ণ
সময়ের তীরে
নিচে হতাহত সৈন্যদের ভিড় পেরিয়ে,মাথার ওপর অগণন নক্ষত্রের আকাশের দিকে তাকিয়ে,কোনো দূর সমুদ্রের বাতাসের স্পর্শসম্পূর্ণ