মৃত্যুবাণের পরেও
রঙ মুছে গেল ক্ষণিকে।জীবনের শত আভিজাত্য ধুলায় মিশলো এক নিমেষে।চোখ খোলা থাকলেও অন্ধকারে নিমজ্জিত প্রাণবায়ু।এইসম্পূর্ণ
শহরতলীর হস্তবুদ
এ শহর জানে, ভেজা প্রেমিকের হাতে-হাত রেখে মন ছুঁতে।এ শহর শোনে,একশো কান্না কংক্রিট বুকে কানসম্পূর্ণ
উপড়াতে পারে দিল্লি
ওরা মাটিমাখা দেহ বৃষ্টিরওরা জলবন্দীর বন্যাওরা বাঁচাতে দেশের খাদ্যদিয়েছে মৃত্যুর বুকে ধর্না। ওরা তপ্ত রোদেরসম্পূর্ণ
জাভাদেশীয় গন্ডার
লাল ফর্দ অনুযায়ী,গাঙ্গ রাণীর মতোন;বিপন্না তুমি আজকাল—শুধু দক্ষিণবঙ্গে নয়,তোমায় খোয়ানোর আশঙ্কায়— নকশাল আন্দোলনের আঁখর; গিয়েসম্পূর্ণ
মলয় রায়চৌধুরীকে লেখা দেবী রায়-এর চিঠি
তুমি-আমি নাকি কলকাতায় অ্যারেস্ট হয়ে গেছি। চতুর্দিকে গুজব। কয়েকজন চেনা, হাফচেনার সঙ্গে দেখা হলে অবাক চোখে তাকাচ্ছে; ভাবখানা এই, ‘কখন ছাড়া পেলে’। আমার তো এখন একতারা নিয়ে বাউল হয়ে বেরিয়ে পড়তে ইচ্ছে করছে কলকাতায়।সম্পূর্ণ
সবুজ দেবকন্যা
ওঃ, তুই-ই তাহলে সেই সুন্দরী দেবকন্যাতুলুজ লত্রেক, র্যাঁবো, ভেরলেন, বদলভেরভ্যান গঘ, মদিগলিয়ানি আরো কে কেপড়েছিসম্পূর্ণ
পাঁকের মৃণ্ময়ী
তুই কি সত্যিই কুচ্ছিত ? সবাই তো তাই বলে : পাঁকের মৃণ্ময়ী !কোলে কালি চোখসম্পূর্ণ
এ কথা জানিতে তুমি
এ কথা জানিতে তুমি, ভারত-ঈশ্বর শা-জাহান,কালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধন মান।শুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়েসম্পূর্ণ
প্রেম ফেরে, ফেরে না
ভরপুর সন্ধ্যায় তোকে দেখলুম অবন্তিকা প্রেমের মৌতাতে ঝিমিয়েচুয়াল্লিশ বছর আগের ধুলো আর শুকো ঘাস আজওসম্পূর্ণ
মাসাই অবন্তিকা
দুশো বছর আগে আমার শব সেরেংগেটির শুকনো ঘাসেনিয়ম মেনে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল বুড়ো মাসাই কর্তারাযাতেসম্পূর্ণ












