| কবিতা | ধর্ষণে ফাঁসি হয়! |
| কবি | মাহমুদুল মান্নান তারিফ |
| সময় | ২০ মে ২০২৬ |
| উৎসর্গ | ধর্ষিতা শিশুদের উপলক্ষ করে লেখা |
| লিখার স্থান | বিয়ানীবাজার, সিলেট। |
| সম্পৃক্ততা | শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড। |
| কবিতার বিষয় | প্রতিবাদ |
কাল্চারে টর্নেডো বাচ্চারে ধর্ষণ,
গলাকাটা নির্মম প্রতিদিন দর্শন।
আইনের যথাযথ সুবিচার চাচ্ছি,
ধর্ষক নির্ভয়ে ঘরে খায় লাচ্চি!
ধর্ষণ বৃদ্ধিতে একি হাল দেশটায়!
এ ব্যাপারে ঘুমন্ত পাচ্ছি না চেষ্টায়।
রামিসারা মারা যায় ধর্ষক বাঁচছে,
ধর্ষণে ফাঁসি হয়! - নির্ভয়ে নাচছে।
নাচছে কে ধর্ষক! উপেক্ষা শাস্তির!
মানব না দানব রে! সহোদর কাস্তির!
ঘাড় কাটে বাচ্চার, স্বাদ নিয়ে যৌন,
পাপকাজে স্ত্রীও দেয়, সম্মতি মৌন!
হায় হায় উফ করে, জননীর ক্রন্দন,
জনকের কান্নায়, হৃদয়ের স্পন্দন।
আর কত রামিসার হবে রে দেহান্ত,
বিবেককে কাঁদিয়ে তো ধর্ষক শান্ত।
কারাগারে ফাঁসি নেই কদ্দিন বন্দী,
গণনার দিন গুনে করে ফেলে সন্ধি।
ধর্ষিতা সমাধিতে, ধর্ষক গালিচায়,
ফাঁসি নেই ঘুরেফিরে ধরিত্রী বাগিচায়।
নুসরাত, ফাহিমার আলাপন বন্ধ,
খুনিদের ফাঁসি দিতে কেন এত দ্বন্দ্ব?
অপরাধ যেই করে পাক তার প্রাপ্য,
রামিসার চিৎকার সমাজে তো শ্রাপ্য।
রচনার তারিখ: ২০ মে ২০২৬