সমুদ্রে এই আমি
জল থেকে শীতলতা শুষে নিচ্ছে পা, ঢেউয়ের গা বেয়ে ভেসে আসে বাতাস। সমুদ্রে ডুব দিয়েসম্পূর্ণ
আগামীর গান
কবিতা গিয়েছে চলে দূরতম দ্রাঘিমার আপাতন কোণে যাপনের বহ্নিশিখা সময়ের কোরাসের ওষ্ঠবিম্ব বোনে। ঘুঘুর মনেরসম্পূর্ণ
নিজস্ব বিষাদ
ছাতিমের শীর্ণ দেহে শিশু এক মহাকাল গেড়েছে মলাট সন্ধ্যার গোধূলি মেখে সাঁতরিয়ে আসে হীম চাঁদেরসম্পূর্ণ
হেমন্তের সঙ্গী
তুমি ঝিরিঝিরি বৃষ্টি-বাদলের দিন চেয়েছিলে, কিন্তু এমন দিন দেখিতে পাবে বর্ষাকালে! চেয়েছিলে শীতল বায়ু তোমারসম্পূর্ণ
অরূপ রাত্রির তৃতীয় প্রহর
চিরন্তন অন্ধকারের সাদা উল্কি পড়ে নির্জন রাতের অস্পষ্ট উপকথায়। তোমার প্রতারণার নকশায় জড়ানো ইন্দ্রজাল, অবিনশ্বরসম্পূর্ণ
বোধের অতীত
আমার প্রেয়সী যেন কথা কয় বিলুপ্ত সময় নিয়ে ঠোঁটে দারুণ অস্ফুটে বুকের গহীনে চাপা ক্ষয়।সম্পূর্ণ
নৌকা বাঁধা শ্রোণিঘাট
তীব্রতর অন্ধকার ভাঙনের আওয়াজ দুরতম বোধ বলেছে আমাকে ক্লেদ ধারালো আলোর বাণ খরস্রোতা ব্যথা; পৃথিবীরসম্পূর্ণ
গভীর… একাকী
অনামিকা শুয়ে আছে ঘাসে পুরাতন ডিমের খোসার মতো দেহ তার, বালির কণার সাথে উঁকিদেয় আকাশেসম্পূর্ণ
কলকাতার প্রেম
তোমার সাথে হেঁটেছি কলেজ স্ট্রিটের বইয়ের গন্ধে মিশে, ক্যাফের ভিড়ে চায়ের কাপে খুঁজেছি তোমার মিষ্টিসম্পূর্ণ