রাতের তল্লাট
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
সলাজ ক্ষারিকা বুঝি ধুয়েছে আকাশ!
বিশাখার পাশে যেন বসে অগণন
সারিকার হাতভরা সম্মোহনী কাশ
মিটিমিটি ঢেলে যায় গণিকার মন।
মানুষের বেশে বুঝি পৃথিবীর হাটে
স্বাতী তারা এসে যায় রাতের তল্লাটে।
সম্পূর্ণ
একটা নিঃসঙ্গ রাত আমার সঙ্গে নির্ঘুম কাটে তার.. আকাশের নক্ষত্র আর চাঁদের কলঙ্ক গুলো আলোসম্পূর্ণ
সীমাবদ্ধতার বেড়াজাল পেরিয়ে তুমি, তোমার নিজস্ব একটা জগৎ তৈরী করে নাও। তোমার নিজের ভেতর জেগেসম্পূর্ণ
আমার বেঁচে থাকাটাও কি তোমার কাছে সুখের? নাকি শোকের?
নাকি নিতান্তই সাধারণ কিছু
অথবা কিছুই না! 🙂সম্পূর্ণ
যদি বলো ফিরে যাই এই নষ্ট ভোরের আলোহীন আঁধারে
তামাটে ত্বকের গন্ধ ছেড়ে যদি এবার পালাই মানুষের নরকে সম্পূর্ণ
তারপর, অনেক অপূর্ণতা নিয়ে একদিন আমি চিরনিদ্রায়। মৃত্যুটা স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবিক , সেটা ঘেঁটে দেখতেসম্পূর্ণ
মানুষ ভুলে যায় শেকড়, চেষ্টার থেকে প্রাপ্তি বেশি হলে প্রকৃতিও শোধ নিতে ছাড়েনা, জেনো,অহংকার পতনেরসম্পূর্ণ
প্রতিটা শূন্যতার ভেতর, নিবিড় স্রোত আছে। ওতে ভেসে বেড়ানো যায়। কখনও কখনও নিজেকে নিয়ে, নিজেরসম্পূর্ণ
এইতো ভাবি লিখবো না, তবুও পারা যায় না। ফের তুমি সাজো, খুব সাধারণ ভাবে তোমারসম্পূর্ণ
একটা কবিতা লেখবো বলে বেঁচে আছি
কেবল একটা—
পৃথিবীর এত শখ থাকতেও কেন যেন কবি হবার পাপ জাগলো
সে প্রশ্ন করতে করতে করতে করতে করতে করতে করতে
নিজেকে বিরক্ত করে তুলেছি—সম্পূর্ণ