ক্ষুধার কথিকা
দু চার লাইনের কথিকায়আমায় প্রকাশ করা দায়!ক্ষোভ,ক্রোধ,বিষাদের যন্ত্রনায়,রোজ আমি হামাগুড়ি খায়! ছেটে পুটে খাচ্ছে ত্যাক্ততা,গ্রাসসম্পূর্ণ
জীবনমুখী কবিতা সমূহ
দু চার লাইনের কথিকায়আমায় প্রকাশ করা দায়!ক্ষোভ,ক্রোধ,বিষাদের যন্ত্রনায়,রোজ আমি হামাগুড়ি খায়! ছেটে পুটে খাচ্ছে ত্যাক্ততা,গ্রাসসম্পূর্ণ
ছেলেটা বললো, এভাবে চলতে পারে না, সবকিছু ভেঙ্গেচুরে যাচ্ছে,তার এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতেরসম্পূর্ণ
হে কবি, একাকীত্বে ডুবে আছে আমাদের রাত।সুখরোবার-ছুটিবারচাঁদের আলো গিলে নিচ্ছে অন্ধকারআসুন আমরা পানে উদ্বত হই;মেতেসম্পূর্ণ
১. তুমি চলে যাচ্ছো-বুকের প’রে হেঁটে যাচ্ছোপায়ের নুপুরে আটকে নিয়ে আমার চোখ। তুমি চলে যাচ্ছো-হেঁটেসম্পূর্ণ
এক জোড়া দূরবীন চোখ তাকিয়ে আছেফুটপাতে বেরে ওঠা ঐ টং দোকানের পরে ,পড়নে তার ছেঁড়াসম্পূর্ণ
আমার কাউকে মনে করার নেই,নেই কিচ্ছু মনে করাবার।আমি নিতান্ত অভ্যাসে, বদ-অভ্যাসেহাঁটি চেনা পথ।খুঁড়ে দেখি প্রাক্তনসম্পূর্ণ
শরতের কুয়াশা স্নিগ্ধ সন্ধ্যায়তোমাকে চাই— আরো কাছে,আরো কাছে পেতে চাই! শিশির ছুঁয়া ঘাসে আঁচল বিছাও,আঁচলেসম্পূর্ণ
শেষতক অনুজ্জ্বল পার্শ চরিত্রে পুরোদস্তুর অভিনয় শুরু করেএই নগরের কোলাহল শূন্য স্নিগ্ধ সকাল। ছিন্নমূল মানুষেরসম্পূর্ণ
আমরা যারা দিন আনি, দিন খাই,আমরা যারা হাজার হাজার দিন খেয়ে ফেলেছি,বৃষ্টির দিন, মেঘলা দিন,সম্পূর্ণ