কবিতা আবেশ
কবি সজল মিত্র
সময় ২১ শতাব্দী
উৎসর্গ জুঁই
লিখার স্থান ফেরী
সম্পৃক্ততা সময়ের ফ্রেম
কবিতার বিষয় প্রেম
Review This Poem

আমানিশার মেঘ কেটে আমিও বলতে চাই
​হবে কি আমার ​জলছবিতে তুলির রং
​আলতো করে ছুয়ে দেখব,
​ধুরো ধুরো ছটফটানির ক্লান্ত নিঃশ্বাস।
​ভালোবাসবে কিনা তা জানিনা,
​তবে চাঁদের রোদে সেই সুখ শুঁকিয়ে একটি বার তোমায় ছোঁব।
​যদি মেঘের ভয়ে বুক ফাঁটে,
​এক টুকরো রোদ নিয়ে ভিজবো শুধু আনমনে।
​ঢেউয়ের নৌকায় পালের হাওয়ায় একহব –
​আর বাতাস নিয়ে ফানুস হয়ে ভাসব তোমার পাশে।
​নীলগিরির লাবণ্য নিয়ে আসতে যদি নাও পারি,
তবে ​শিঁশিরফোটায় তারন্য মিশিয়ে বাঁধহারা হাসি দেব।
​​চাঁদের মুখে কলঙ্ক মেখে তোমায় আমার রানী বানাবো,
​বানাবোই।
​তোমার শরীর রেখায় আমি আঁকতে চাই বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান ভাষ্কর্য,
​যার আদলে তৈরি হবে প্রেমের মহাকাব্য!!!
​তুমি হেসো না —-
​আমি পাগলাটে, আমি স্বপ্ন বেঁচে ভালবাসতে জানি;
​জানি অন্ধকারের ভালোবাসার সুখ।
​তোমায় নিয়ে হাজার হাজার মাইল দূরে,
​কয়েক কোটি আলোকবর্ষ পেরিয়ে স্বপ্নে একখানা দিন কাটাবো
​যেখানে শুধুই তুমি জোৎস্ন্যা ছড়াবে আমি সেই জোৎস্ন্যা খেয়ে পরিপূর্ণ পুরুষ হব।



​​

guest
1 Comment
Newest
Oldest Most Voted
প্রণবনন্দন
3 months ago

কবিতাটিতে বেশ কিছু চমৎকার এবং অপ্রচলিত উপমা ব্যবহার করেছেন যা পাঠককে মুগ্ধ করে:

‘চাঁদের রোদে সেই সুখ শুঁকিয়ে’: সাধারণত রোদ সূর্যের হয়, কিন্তু আপনি এখানে ‘চাঁদের রোদ’ শব্দটি ব্যবহার করে এক শীতল অথচ তীব্র অনুভূতির জন্ম দিয়েছেন। এটি প্রেমের এক অনন্য দহনকে বোঝায়।

‘জোৎস্ন্যা খেয়ে পরিপূর্ণ পুরুষ হব’: এই পঙক্তিটি অত্যন্ত শক্তিশালী। জোৎস্নাকে খাদ্যের মতো গ্রহণ করে আধ্যাত্মিক বা মানসিকভাবে পূর্ণতা পাওয়ার এই কল্পনাটি কবিতাটিকে জাগতিক স্তর থেকে মহাজাগতিক স্তরে নিয়ে গেছে।