আমারতো কবিতা লিখবার কথা ছিলোনা
আমারতো কবিতা লিখবার কথা ছিলোনা, আমারতো কবিতায় আসবারই কথা ছিলোনা শুভা। আমি’তো বড়জোর লিখতে পারতামসম্পূর্ণ
কবিতা কখন কিভাবে শুরু হয় কেউ কি পারে বলতে? মনে হয় না! কেউ কি জানে তার লেখা প্রথম কবিতা কোনটি। কবিতা হয়ে ওঠা আর হয়ে না ওঠার যে আদিখ্যেতা মূলক আলোচনা শুরু হয়েছে বিগত দুই দশকে আপাতত তাকে দূরে রেখে চলুন রক্তকরবীর মাঠে কবিতা মূলত পরাস্ত পরাজিত মানুষের ভাষা। ইতিহাস লিখে মূলত নষ্ট আঙুলের একাডেমির গবেষক। তাদের এতটুকুন ছাড় তো দিতেই হয়, জীবন ভর আমিষের খোঁজে, পা চেটে নিরামিষভোজী রয়ে গেলো। – সোয়েব মাহমুদ
আমারতো কবিতা লিখবার কথা ছিলোনা, আমারতো কবিতায় আসবারই কথা ছিলোনা শুভা। আমি’তো বড়জোর লিখতে পারতামসম্পূর্ণ
আত্মহত্যার পর আমার – কোনও ঝড়ের রাতে লোডশেডিং তোমার দেয়া রুহের মাগফেরাতে আমি ফিরে ফিরেসম্পূর্ণ
দুইশো তেত্রিশ কিলোমিটার পেরিয়ে গেছে সেইসব দিন সযত্নে, আসলে সকালগুলো, বিকেলের মধ্যবয়সী রমনী অথবা দুপুরেরসম্পূর্ণ
ষাট পয়সার নিউজপ্রিন্ট কাগজে লেখা কবি’র প্রতিবাদে রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে যায়কবি, কবি’র দাঁড়ানো হয়না সমাজে!কবি ভুলেসম্পূর্ণ
প্রতিটা জীবিত মানুষের ভেতর একটা করে মৃত মানুষ হাটে, অস্থিরতায়। প্রতিটা পরাজয়ে তুমি শানিত হও,সম্পূর্ণ
তোমাকে দেখা হয়নি অথচ তুমি বিষন্নতার মতন তীব্র এবঙ একমাত্র স্বচ্ছ বোধে বাঁধো আমায়, আষ্টেপৃষ্ঠেসম্পূর্ণ
ফ্লন এর ৩৪ নং হাইওয়ে এক্সিট, বেরিয়ে স্টকহোম এ যাচ্ছি আমি। নভেম্বর এখানে শীত নামিয়েসম্পূর্ণ
আমাকে আরো আগেই আটকানো উচিৎ ছিলো? আমার আঙ্গুলগুলো মৃত – চোখগুলো অপেক্ষায় জানাজার! মহাসমুদ্রের নীচেসম্পূর্ণ
এইযে, এই যে শুনুন। আপনাকেই বলছি। আপনার ভালো’র জন্য বলছি। চলে যান এখান থেকে, চলেসম্পূর্ণ
একটা কবিতা লিখতে, আমাকে রাষ্ট্রের উঁচুতম শীতাতপনিয়ন্ত্রক কক্ষ্য থেকে নিষেধ করা হয়েছিলো, আমাকে নিষেধ করাসম্পূর্ণ
অই যে ছবি লটকে রেখেছো,তাতে কি ঢাকনা দেয়া আছে? ছবিতে তোমার পাশে একটা মেয়েছেলে আছে,সম্পূর্ণ
দেবী, তোমাকে লিখছি, মেট্রোরেলের আগমনবার্তায়। ক্যামন আছো? প্রশ্নটি করা উচিৎ হয়নি কারণ তুমিতো ভালোই থাকো।সম্পূর্ণ
জেনে গ্যাছি, দুজনে দুপথের পথিক সবশেষে। জেনে গ্যাছি, শীত তোমার দূর্সম্পর্কের প্রেমিক, কুয়াশায় রোদ সরিয়েসম্পূর্ণ