গায়ত্রী মন্ত্রের আলো
কবিতা লেখার রাতভিজে গেছে অঘ্রাণের উদাসীনতায়।সব ক্ষীপ্র অত্যুৎসাহেউদ্যোগে ও কর্মকান্ডে আজ লেগে আছেশিশিরের সাদা ফোঁটাজলসম্পূর্ণ
কবিতা লেখার রাতভিজে গেছে অঘ্রাণের উদাসীনতায়।সব ক্ষীপ্র অত্যুৎসাহেউদ্যোগে ও কর্মকান্ডে আজ লেগে আছেশিশিরের সাদা ফোঁটাজলসম্পূর্ণ
প্রণাম করব। কিন্তু পা কই? আগুনে ও হিমজলে পা ডুবিয়েএখনো তো তাঁর অফুরাণ হাঁটাবরণ করব।সম্পূর্ণ
তোমারি সঙ্গে যুদ্ধ প্রহরে প্রহরেতোমারই সঙ্গে সন্ধি,তোমারই মূর্তি নির্মাণে আমি নিজেকেকরেছি পাথর চূর্ণ।সর্বনাশের পাশা নিয়েসম্পূর্ণ
প্রখর তুলির পাশে কতদিন অবনত হয়েছি বিস্ময়ে।এ কী টান! বিদ্যুতের চেয়ে দ্রুত এ কী বলবানরেখারসম্পূর্ণ
এই মৃত্যুশোককাঁধ থেকে নামানো যাবে না কোনোদিন।আর বর্বরতা কি নির্বোধ।যেন মৃত্যু হলেই মুছে যায়প্রতিজ্ঞার প্রাণ।আক্রমণসম্পূর্ণ
বইয়ের উপর থেকে ধুলো মুছে নিলেআরো ধুলো রয়ে যায় অক্ষরের স্থাপত্যকে ঘিরে।ফলে ব্যাঙই সাপ খায়সম্পূর্ণ
শিল্পের শৃঙ্খলা ভেঙে, নৈতিকতা ভেঙেতুমি যদি বায়ুমুখ নৈরাজ্যের কুহকে বাঁকিয়েনিজের সিদ্ধিকে ভাবো সভ্যতারই আরও উত্তরণবিরুদ্ধাচরণসম্পূর্ণ
তোমার মুকুট ঘিরে থাক কাঁটাতারেবিদ্ধ করুক পেরেকের অপমান।জানবে তোমার খোঁজ নেয় রোজ গারো পর্বতমালাকেমন আছেনসম্পূর্ণ
সেই পদ্মপাতাখানি ছুঁয়ে আছি তবু।যতই ফুঁ দাও ঝড়ে নেভাতে পারবে নামোমের আগুন। এত ভূল করসম্পূর্ণ
সময়ের ছারখার, অথচ তোমার মুখে আলো। কালকেউটে এখুনি কামড়ালো কাকে যেন, কাকে? এবারও কি লখিন্দরসম্পূর্ণ
কার ডাকে জেগে উঠে মেঘের গলায় গাঢ় মালকোষ শুনে আবার ঘুমিয়ে গেছে এই নদীজল। অথচসম্পূর্ণ