সব দিয়েছেন
দেবার সময় সব দিয়েছেন তিনি।সাগর জলে নোনা এবংচায়ের জলে চিনি।রূপ দিয়েছেনধূপ দিয়েছেনমনকে অন্ধকূপ দিয়েছেনচাঁদের আলোয়সম্পূর্ণ
দেবার সময় সব দিয়েছেন তিনি।সাগর জলে নোনা এবংচায়ের জলে চিনি।রূপ দিয়েছেনধূপ দিয়েছেনমনকে অন্ধকূপ দিয়েছেনচাঁদের আলোয়সম্পূর্ণ
হয়তো সূর্যের দোষে আমাদের রক্ত আর ততখানি অগ্নিবর্ণ নয়।নিমের পাতার মতো নুয়ে গেছে হাত আরসম্পূর্ণ
সোনার কলসী ভেঙে যায়, উজ্জল সিঁড়িতে।পাহাড়ও এমন করে ভাঙেঝর্ণার আছড়ানো জলে, সাদা ফেনা, ঘুর্ণিময় তোড়,অথচসম্পূর্ণ
হে স্বচ্ছন্দ তরুলতা, তোমরা রয়েছ বলে আছি।চামচিকের নাচানাচি গাঢ়তর করেছে আঁধারকোলাব্যাঙ জেনে গেছে তার হাতেসম্পূর্ণ
একটা দিকে খাট পালঙ্ক, আরেকদিকে ঘামমধ্যিখানে যজ্ঞে জলে কাঠএক পা ছেঅটে ভুবন জুড়ে দিগ্নজয়ী ঘোড়াআরেকসম্পূর্ণ
আগুনে আঙুল রেখে ঠায় বসে আছিকেউ ডাকলে যাতে সাড়া পায়। ঘরের বাইরে গোল সার্কাসের মাঠ।নিরাপত্তা-বিধায়কসম্পূর্ণ
এও এক ধরনের অসুখএ বোধ, অতৃপ্তির আর অসর্ম্পূতার।এর জ্বরও ওঠে, নামে, কাঁপায়।গভীর বৃষ্টিতে ভিজে ঘরেসম্পূর্ণ
আমি কি ধরিত্রীযোগ্য?এই প্রশ্নে কেঁপে ওঠে তারঅসুখের ঘূণ-লাগা শরীরের অসি’-মজ্জা হাড়।তাকে ঘিরে আছে মেঘতাকে ঘিরেসম্পূর্ণ
কলকাতা শহরে মাত্র একটি দুটি তিনটি মানুষএখনো যুবক হয়ে আছে স্বেচ্ছাচারে।ফুটবলের মতো তারাকারো পায়ে থাকেসম্পূর্ণ
করাত কেটে চলেছে ভিতরেবাইরে তুলকালাম পিকনিক।অস্ত্রাঘাতের শব্দে শিউরে উঠল কে?বাতাস।এক শ্মশান থেকে আর শ্মশানে ছুটছেসম্পূর্ণ