শতাব্দীর বেমানান আমি
তোমার প্রকান্ড খন্ড আকার
আমার বেকার মস্তিষ্ক একাকার করে দিয়েছে,
আমি নির্যাতিত প্রেমিক।
কলকলিয়ে উঠছে অত্যাচারের বিষাক্ত চোখ!সম্পূর্ণ
তোমার প্রকান্ড খন্ড আকার
আমার বেকার মস্তিষ্ক একাকার করে দিয়েছে,
আমি নির্যাতিত প্রেমিক।
কলকলিয়ে উঠছে অত্যাচারের বিষাক্ত চোখ!সম্পূর্ণ
তোমার শরীর রক্তে মাংসে-
অমুকের কি বালি’র
ধিক্কার! এ খোঁড়া শিক্ষার
আমার সনদ, কলম-কালির।সম্পূর্ণ
লাশকাটা ঘরে-
আমার দেহ যেনো না যায়,
আমার রক্ত যেনো বিফল না হয়,
তুমি শরীরে নও-
রক্তে আছো আমার।সম্পূর্ণ
যদি হারাই তোমার আগে,
তুমি বিশ্বাস রেখো, মা গো-
আমি তখনো শিশু ছিলাম।
আমার লোমশ বুকে-
তখনো পুরুষ গজায়নি।
আমি একশ বছর বাঁচলেও
তোমার অবুঝ খোকাটাই।সম্পূর্ণ
আমি বৃক্ষতলে বক্ষপেতে শুয়ে আছি,
তোমার দুঃখ ছুঁতে ছুঁতে মৃত্যুর খুব কাছাকাছি।
বেদনার তুষানলে একটু একটু করে মরছি,
কবে যে আমার শেষবেলা আসে?সম্পূর্ণ
তুমি পৌষের থলে থেকে-
এক চিমটি মিঠা রোদ এনে দাও আমায়,
আমি রোদ খেয়ে বেঁচে থাকব।
ভালোবাসা না দাও-
একবিন্দু শিশির কণা এনে দাও,
আমি কুয়াশা খেয়ে বেঁচে থাকব।
ভালোবাসা না দাও- ম্যানগ্রোভ থেকে
একটুকরো মড়া সবুজ এনে দাও,
আমি সবুজ খেয়ে বেঁচে থাকব।
দাও অন্তত কিছু একটা দাও আমায়,
যা খেলে তোমায় ভুলে থাকব।সম্পূর্ণ