ভালোবাসার আস্তাকুঁড়
ভালোবাসার আস্তাকুঁড় গুলো আজকাল উপচে গেছে,সেখানে আস্তানা গেড়েছে শকুন প্রেমিকের দল।বাজারে কষ্ট গুলো খুব সস্তায়সম্পূর্ণ
কোন এক বৈশাখে
হয়তো যদি কোন এক বৈশাখে ফিরে আসি-মলিন মুখোশ ছুড়ে ফেলে, উল্লাসে।খোপায় বেলি ফুলের মালায় –লাল-সাদাসম্পূর্ণ
অপেক্ষার সমাপ্তি?
অনেক রাত এখন,এক অচেনা বিশাল ঘুমন্ত নগরী ।ঘুমহীন কাটে সময়, জানালার পাশে একা বসে বৃষ্টিভেজা শীতলসম্পূর্ণ
কর্কটক্রান্তিতে বসবাস
কর্কটক্রান্তি রেখায় আমার বসবাস,হোক তা তোমার থেকে হাজার মাইল দূরে।এখানেও পলাশ-শিমুল এ রক্তাভ হয় চারদিক।বৈশাখসম্পূর্ণ
দূষিত অক্সিজেন আর গ্লাসভর্তি বিষ
অনাগত দুঃখের ভয়ে পালিয়ে বেড়াই,পুরনো কোন আশ্রয় এর খোঁজ করি।তোমার ভাঙ্গা স্মৃতি গুলো আজ উস্কানিরসম্পূর্ণ
শকুন ও মানচিত্র
মৃতদেহ চিবিয়ে খাবে বলে,ওতপেতে আছে শকুনের দল।“স্বাধীনতা” ৫০ তো হতে চললো,জিডিপির হিসেব-নিকাশে আমার কি লাভ?ডান্ডাসম্পূর্ণ
স্বৈরাচারী মন
গণতন্ত্র আজ যেন ঠিক তোমার মতই।তোমার জন্যে আমার রাজপথে রক্তাক্ত আন্দোলন…কিন্ত তোমার স্বৈরাচারী মনে কোনসম্পূর্ণ
নিউরনের পচন
আমার অনুভূতি শক্তি আজ নেই-আমার নিউরন গুলো পচে গেছে।প্রেম নামক কীটের আক্রমণে,মনুষ্যত্ব নিঃশেষ হয়েছে। তবুওসম্পূর্ণ
মুক্তির এন্টিভেনম
সুখ গুলো আমার কচু পাতায় রাখা ছিল, একটু বেশি জমতে গেলেই ছিটকে পড়ে সব।দিনের আলোয় আমিসম্পূর্ণ
কৃষ্ণচূড়া মন
সেদিন আমি কৃষ্ণচূড়া ছড়ানো পথ মাড়িয়ে গেছি,তোমার মনের লাল উল্লাস কে করতে উপেক্ষা।তাই এখনো তোমারসম্পূর্ণ












