কার্তিক মাঠের চাঁদ
জেগে ওঠে হৃদয়ে আবেগ —পাহাড়ের মতো অই মেঘসঙ্গে লয়ে আসেমাঝরাতে কিংবা শেষরাতে আকাশেযখন তোমারে! —মৃতসম্পূর্ণ
কার্ত্তিকের ভোর- ১৩৫০
চারিদিকে ভাঙনের বড় শব্দ, পৃথিবী ভাঙার কোলাহল;তবুও তাকালে সূর্য পশ্চিমের দিকে অস্ত গেলে,… চাঁদের ফসল পূবের আকাশেহৃদয়সম্পূর্ণ
কোথাও দেখি নি
কোথাও দেখি নি, আহা, এমন বিজন ঘাস — প্রান্তরের পারেনরম বিমর্ষ চোখে চেয়ে আছে– নীলসম্পূর্ণ
কেন মিছে নক্ষত্রেরা
কেন মিছে নক্ষত্রেরা আসে আর? কেন মিছে জেগে ওঠে নীলাভ আকাশ?কেন চাঁদ ভেসে ওঠেঃ সোনারসম্পূর্ণ
কোথাও চলিয়া যাবো একদিন
কোথাও চলিয়া যাব একদিন;-তারপর রাত্রির আকাশঅসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে ঘুরে যাবে কতকাল জানিব না আমি;জানিব নাসম্পূর্ণ
কোথাও মঠের কাছে
কোথাও মঠের কাছে — যেইখানে ভাঙা মঠ নীল হয়ে আছেশ্যাওলায় — অনেক গভীর ঘাস জমেসম্পূর্ণ
কোথায় গিয়েছে
কোথায় গিয়েছে আজ সেইসব পাখি-আর সেইসব ঘোড়া-সেই শাদা দালানের নারী?বাবলা ফুলের গন্ধে-সোনালি রোদের রঙ্গে ওড়াসেইসবসম্পূর্ণ
কোনো এক ব্যথিতাকে
এখন অনেক রাতে বিছানা পেয়েছ।নরম আঁধার ঘরশান্তি নিস্তব্ধতা;এখন ভেবো না কোনো কথাএখন শোনো না কোনোসম্পূর্ণ
কোনোদিন দেখিব না তারে
কোনোদিন দেখিব না তারে আমি: হেমন্তে পাকিবে ধান, আষাঢ়ের রাতেকালো মেঘ নিঙড়ায়ে সবুজ বাঁশের বনসম্পূর্ণ
খুঁজে তারে মরো মিছে
খুঁজে তারে মরো মিছে — পাড়াগাঁর পথে তারে পাবে নাকো আর;রয়েছে অনেক কাক এ উঠানেসম্পূর্ণ
এই কি সিন্ধুর হাওয়া
এই কি সিন্ধুর হাওয়া? রোদ আলো বনানীর বুকের বাতাস কোথায় গভীর থেকে আসে!অগণন পাখী উড়ে চ’লেসম্পূর্ণ