আশা অনুমিতি
সূর্যের আকাশের মত মানুষেরা অনুভাবনায় স্থিরএক আশ্বাস রয়ে গেছে পৃথিবীতে,রয়ে গেছে আমাদের হৃদয়ে যে এইইতিহাসসম্পূর্ণ
কার্তিক-অঘ্রাণ, ১৯৪৬
পাহাড়, আকাশ, জল অনন্ত প্রান্তরঃসৃজনের কী ভীষণ উৎস থেকে জেগেকেমন নীরব হয়ে রয়েছে আবেগ;যেন বজ্রবাতাসেরসম্পূর্ণ
জার্মানীর রাত্রিপথেঃ ১৯৪৫
সে এক দেশ অনেক আগের শিশুলোকের থেকেসাগরগামী নদীর মত স্বরেআমার মনের ঘুঘুমরালহংসী ঝাউয়ের বনেআধোসম্পূর্ণ
এই পৃথিবীর
এই পৃথিবীর বুকের ভিতরে কোথাও শান্তি আছে;অঘ্রাণ মাস রাত্রি হ’লে অনেক বিষয়াবিষের সমাধানমাঠে জলে পাখিরসম্পূর্ণ
ঘাটশিলা- ঘটশিলা-
ঘাটশিলা—ঘটশিলা—কলকাতা ছেড়ে বল ঘাটশিলা কে যায় মিছাইচিরদিন কলতাকা থাকি আমি,ঘাটশিলা ছাই। চিঠির উপরে তবু চিঠিকয়েকটাসম্পূর্ণ
চিরদিন শহরেই থাকি
চিরদিন শহরেই থাকিপড়ে থাকি পাটের আড়তেকরি কেরানির কাজ—শুভে-লাভে যদি কোনোমতেদিন যায় চ’লেআকাশের তলেনক্ষত্রেরা কয় কোন্সম্পূর্ণ
গল্পে আমি পড়িয়াছি
গল্পে আমি পড়িয়াছি কাঞ্চী কাশী বিদিশার কথাকোনদিন চোখে দেখি নাইএকদিন ভাবিলাম মাঠে মাঠে কুয়াশায়যদি আমিসম্পূর্ণ
গুবরে ফড়িং শুধু
গুবরে ফড়িং শুধু উড়ে যায় আজ এই সন্ধ্যার বাতাসে,খড়কুটা ঝড়ে শুধু শাইকের মুখ থেকে চুপে।আবারসম্পূর্ণ
কত দিন ঘাসে আর মাঠে
কত দিন ঘাসে আর মাঠেআমার উৎসাহে প্রাণ কাটেখড় খুঁটি—অশ্বথ্থের শুকনো পাতা চুপে উল্টাইদু’একটা পোকা যদিসম্পূর্ণ