আমার নবীর শান
আমার নবীর মুখ, স্বপ্নের মাঝে দেখেছে যেজন সেও ভুলেছে যা দুখ। যে পেয়েছে কিছু হৃদেসম্পূর্ণ
আমার নবীর মুখ, স্বপ্নের মাঝে দেখেছে যেজন সেও ভুলেছে যা দুখ। যে পেয়েছে কিছু হৃদেসম্পূর্ণ
যৌবন অঙ্গার হলে বার্ধক্যের ধারে বইবো বিধ্বস্ত দেহ বহ্নিমান শ্বাসে, হারলে স্বপ্নিল প্রেম কলঙ্কের দ্বারেসম্পূর্ণ
আসিস সখী চাঁদনী রাতে শ্যামলা নদীর ঢালে, গান শুনাবো ডাহুক হয়ে স্রোতের তালে তালে। লাজসম্পূর্ণ
বিশ্রাম চাই গো আমি, হে আমার অন্তর্যামী! ক্লান্ত পরিশ্রান্ত এই ভগ্নসার কায়া, অস্থির মননে খুঁজিসম্পূর্ণ
শ্রমের আঘাতে কভু টলে দেহ যদি হে পান্থ বিশ্রাম খুঁজো দু’পায়ের তালে, অক্ষিরে যন্ত্রনা দিলেসম্পূর্ণ
মাসি গো মাসি শুনছো খবর দীলুর নাকি হাঁস, পাঁচ-ছ’টা ডিম রোজ পেড়ে তার করছে পূরণসম্পূর্ণ
তুমি, জাগবে না কাণ্ডারী! দ্যাখো না কেমনে আন্ধার ঘুরে বাঁকা ঠোঁটে দিয়ে আড়ি! দেয় নাসম্পূর্ণ
মনটা কারো যায় যদি ভাব চকোর সেজে চষি, আর তা দেখে নাও দিলে তার সুজনসম্পূর্ণ
স্বপ্নে দেখি এসে ফুলপরী এক খুকির পাশে বলছে হেসে হেসে! ’ও সখী আজ আমার সাথেসম্পূর্ণ
কে বলে রে সব আছে নেই চলে অনটন? চারিদিকে কেন তবে নেই নেই গর্জন? ধনসম্পূর্ণ
রোজ যদি কারো ঢিলের জবাবে পাটকেল ছুঁড়ো তুমি, একদিন হবে দু’জনেরই মান ভি.পি তালিকার ভূমি।সম্পূর্ণ