পল্লীমাতার হেমন্ত
আমার গাঁয়ের বাটে সোঁদা গন্ধ ঘুর ঘুর করে, বেড়ে গেছে ইঁদুরের জ্বালাতন সদ্য লেপা ঘরে।সম্পূর্ণ
দুঃখই আমার সাথী
সম্মুখেই দেখি শুধু দুখের রোদেলা পথ, তবুও ওরাই আজ পাকুড় অশ্বত্থ। যদিও খুঁজলে তরী, সজোরেসম্পূর্ণ
পল্লীর কবি আমি
পল্লীর কবি আমি – আপনার চেয়ে আপনের মান মননে অনেক দামী! মানুষের মাঝে খুঁজি ফিরিসম্পূর্ণ
হিজলের ধারে
যাও না ঐ বাটে আর জানি তুমি ক্ষণিক ভাবো না তারে ক্ষীণ আফসোসে, তৃষ্ণার্ত দুপুরসম্পূর্ণ
আশাধারী নদী
শালিক বুঝলে ওই কাজলার ভাষা, হারতো কি ক্ষণকাল নির্জলা সে’ আশা? বলতো বকের কাছে রোজসম্পূর্ণ
ফুলির গুলি
শুধাই ডেকে বলতো ফুলি ক্যামনে পড়ে ছড়া? বললো আমি ভাজতে পারি হেব্বি ডালের বড়া! কেউসম্পূর্ণ
ও নদী রে! (গীতিকাব্য)
ও নদী রে – কোন সুদূরে যায় বয়ে তোর দীঘল কেশের ধারা – ভেবেই এসম্পূর্ণ
লিখো তুমি ও কবি ভাই!
লিখো তুমি ও কবি ভাই শুদ্ধ রেখে মতি, বললে যে কেউ মন্দ কালো কি-ই বাসম্পূর্ণ
হৃদয়ের আকাশ
আমার হৃদয় হয় না পয়োদ হারা পাশেই উড়ে চিলের আহাজারি, ক্ষণ-প্রতিক্ষণ বয়ে দুখের ধারা সেইসম্পূর্ণ