| কবিতা | আহাজারির উপসংহার নেই |
| কবি | মেহেদী হাসান রানা |
| সময় | ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, রাত। |
| লিখার স্থান | জেদ্দা, সৌদি আরব। |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, বিরহ |
সময়ের শিকল বেজে ওঠে প্রতিদিন,
ঋণের শাসন তীক্ষ্ণ হয় শূন্য থালায়।
দরজায় বসে আছে দাবীর দাবানল,
বুকের গভীরে জমে ওঠে শূন্যতার পাহাড়।
বাবার কঙ্কালসার হাতে
অগণিত শ্রমের ক্ষতচিহ্ন,
ঘামে জীর্ণ দেহ, ক্লান্ত নয়নে
তবু ঋণ পত্রে সংখ্যার হয় না হ্রাস।
মায়ের মুখে শব্দ নেই,
শুধু নীরবতার ধারালো ফলায়
চূর্ণ হয় প্রতিটি নিশ্বাস,
বুকের গভীরে পুড়ে যায় স্বপ্নের ছাই।
আঙিনার কোণে পড়ে থাকা পাথরকুচি
গাঢ় সবুজ ছিল যা, আজ কেনো বিবর্ণ লাগে
একদিন যা জীবন দিত, সারাতো ব্যথা
আজ সে-ও শুকিয়ে কেবল ধুলোয় মেশে।
ঋণের খাতা কখনো মুছে না চোখের জলে,
শ্রমের মূল্য এখানে সময়ের কাছে তুচ্ছ।
জীবনের রুদ্ধ পথের দেয়ালে ঝুলে থাকে—
শুধু অপূর্ণ স্বপ্ন, হিসাবের অনন্ত শূন্যতা।