| কবিতা | বিদায় বেলা |
| কবি | হাসান মনজু |
| কাব্যগ্রন্থ | দুঃখ ভোলানো বিজ্ঞপ্তি / নন্দিতা প্রকাশ |
| সময় | ফেব্রুয়ারি ২০১৯ |
| উৎসর্গ | পার্বত্য কাব্যের কবিদের |
| লিখার স্থান | ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেনে |
| সম্পৃক্ততা | বইমেলা থেকে ফেরার পথে |
| কবিতার বিষয় | বিরহ |
বিদায় বেলা
বিদায় বেলায় ইউনিক কাউন্টার,
বলেছিলে, ” দাদা সাবধানে যেও’’
অবাধ্য অশ্রু সামলায় সাহরিয়ার,
দেখি অশ্রুসজল নিলয় দাদাকেও
মোহিনী রাত কবিতা আড্ডা গানে,
ঘুম ঘুম চোখে নির্ঘুম জাগে রেজা,
সবাই যখন আপন ডেরার টানে,
সবার আড়ালে চোখ দুটো যেন ভেজা
শেষ কথা ছিলো কদমবুসির পরে,
শিমলী, বালিকা খুব সাবধানে যেও,
চোখ মুছে নিলে সবার অগোচরে,
ভাবিনি এভাবে কাঁদাবে আমাকেও
বিধাতা কেন ব্যবধানে জন্ম দিলো,
এখানে এই গান কবিতার পরিবেশে,
তোমাদের কবি বড় প্রয়োজন ছিলো,
বাউল জাগানো লালনের এই দেশে
মুন্সী কবির, আতিথ্য কী করে ভুলি,
মায়াবী কবি ফেরদৌসী নদীও,
স্মৃতির ঝাঁপি তাই ক্ষণে ক্ষণে খুলি,
স্মৃতিরা পোড়ায় একান্তে দরদিও
তারুণ্যের কবি দুরন্ত আলাউদ্দীন,
শিক্ষাগুরু কাব্যপ্রেমী কবি কাছেন,
সদা হাসিমুখ চোখ দুটো অমলীন,
কবিতা ছাড়া কী করে কবি বাঁচেন
রাতের গাড়িতে আসীন আশিক দাদা,
কবিতা যে তার জীবনের চেয়ে প্রিয়,
ভাবছি এ কোন অদৃশ্য ডোরে বাঁধা,
কবিতা ছাড়া সব ভুলে যাওয়া শ্রেয়