| কবিতা | তেষ্টা! |
| কবি | দিপংকর রায় |
আমার খুব তেষ্টা পায়, প্রছন্ড রকমের তেষ্টা।
একটা ভরা পূর্ণিমার রাতে, আকাশে পূর্ণ যৌবনা চাঁদের ছড়ানো জ্যোৎসনায়, তোমার হাতে হাত মিলিয়ে হাটার তেষ্টা।
এক ঊষা লগ্নে বা গোধুলিতে, তোমাকে ভেবে ভেবে দূর থেকে সুদূরে হারিয়ে যাওয়ার তেষ্টা।
গভীর অরন্যে আমার প্রিয় সবুজের রাজ্যে, তোমাকে চিরসবুজ করে রাখার তেষ্টা।
নদী আর সাগরের মিলন মোহনায়, রাশি রাশি জলধারার উপর আমাদের মিলিত হওয়ার তেষ্টা।
শহুরে ব্যস্ততায় হাজার কাজের ফাঁকেও, একপলক তোমাকে দেখার তেষ্টা।
তোমার খোলা চুলে কিংবা চোখের গভীরে, আমার সারাক্ষণ ডুবে থাকতে চাওয়ার তেষ্টা।
বসন্তের উদাস দুপুরে, আমার একলা ঘরের কোনায়, কোকিলের কুহু ডাকের সাথে তোমাকে রোমন্থন করার তেষ্টা।
বছরের দীর্ঘতম রাতও তোমাকে সাথে নিয়ে ছোট করে দেওয়ার তেষ্টা।
তোমাকে নিয়ে শহর থেকে শহরে, নগর থেকে নগরে ঘুরে বেড়ানোর তেষ্টা।
আমার সমগ্র অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবনে তোমাকে আলো হিসেবে আবিস্কার করার তেষ্টা।
আমার যে খুবই তেষ্টা!
একটা ভাঙ্গা হৃদয় নতুন করে গড়ার তেষ্টা,
মনকে ভাল রাখার তেষ্টা,
প্রেমেতে পরে মরে যাওয়ার তেষ্টা,
ভাসমান এক সংসারের তেষ্টা।
আমার মারাত্মক রকমের তেষ্টা, নিজেকে তোমার ভালবাসায় মুড়ানোর তেষ্টা।
এই মুহুর্তে আমার ভীষণরকমের তেষ্টা হচ্ছে,
এককাপ কফি, অনেকটা নিকোটিন অথবা তোমার ঠোটে চুমুকের তেষ্টা।
