কেবল উন্মাদই পারে
আমি যে এখন কী করি না করি আর কখন কোথায় যাইকিছুই জানি নাহয়তোবা পিপাসায় মুখেসম্পূর্ণ
আমি যে এখন কী করি না করি আর কখন কোথায় যাইকিছুই জানি নাহয়তোবা পিপাসায় মুখেসম্পূর্ণ
এ কী বৈরী যুগে এসে দাঁড়ালাম আমরা সকলেসূর্য নিয়ত ঢাকা চিররাহৃগ্রাসে, মানবিকপ্রশান্ত বাতাস এখন বয়সম্পূর্ণ
তুমি তো জানো না তোমার আঁচলখানি কতো বেশি নিরাপদ তাঁবুশীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় এখানে বাঁচাতে পারি মাথালজ্জা ভয়েসম্পূর্ণ
এতোটুকু স্নেহ আর মমতার জন্য আমি কতোবারনিঃস্ব কাঙালের মতো সবুজ বৃক্ষের কাছে যাই-হে বৃক্ষ আমাকেসম্পূর্ণ
আমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর শুনেছি তুমি খুব কষ্টে আছো।তোমার খবরের জন্য যে আমি খুব ব্যাকুল,তাসম্পূর্ণ
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে শীতকালতুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে জুড়ে বরফ প’ড়ে আছেগভীর ঘন হয়ে পাশেরসম্পূর্ণ
সে চেয়েছিলোএকটি সত্যিকারের প্রেমের কবিতা লিখতে। তার তোএকটাই জীবন। মানুষের জীবনে প্রেমের চেয়ে নির্মলপিপাসার জলসম্পূর্ণ
ইচ্ছে ছিলো তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো ইচ্ছে ছিলো তোমাকেই সুখের পতাকা করে শান্তির কপোতসম্পূর্ণ
কথা ছিলো একটি পতাকা পেলে আমি আর লিখবো না বেদনার অঙ্কুরিত কষ্টের কবিতা কথাসম্পূর্ণ
আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরাগেঁথেছি শেফালিমালা ।নবীন ধানের মঞ্জরী দিয়েসাজিয়ে এনেছি ডালা ।এসো গো শারদলক্ষ্মী,সম্পূর্ণ