মাছরাঙা অথবা ধানশালিক
‘মাছরাঙ্গা নয়, বরং ধান শালিককে ভালোবেসে দেখুন!’আড্ডার মাঝখানে এমন নির্দেশে আমরা কয়েকজন নড়েচড়ে বসলাম,নির্দেশদাতার দিকেসম্পূর্ণ
এক ব্যতিক্রমী বৃষ্টির গান
চলো দু’জনে হারিয়ে যাই বৃষ্টিমুখর কোনো সন্ধ্যায়,হাতে হাত ধরে দূরে বহুদূরেবৃষ্টির বিলাসী গান শুনেগায়ে মেখেসম্পূর্ণ
আমি তোমাকে ভীষণ ভাবে জানি
আমি জানি মেয়ে,তোমার রাত বিছানায়আর কবিতা থাকে না কোনো।তোমার শিৎকার জুড়ে থাকেনা কোনো প্রেম। আমিসম্পূর্ণ
দয়া করে পালাবেন না
জীবন থেকে পালিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়!একটু সামনে গেলেই রেল স্টেশন, তারপর রেলগাড়ি!এরপর?কু ঝিকঝিক শব্দেসম্পূর্ণ
নিস্তব্ধতা
নিস্তব্ধতা;দীর্ঘশ্বাসেরও শব্দ নেই, গাল বেয়ে পড়া দুর্বোধ্য দু’ফোটা অশ্রুরনির্ঝরতার শব্দ নেই, নিস্তব্ধতার কান্না!হৃদয়ের গহীন হতেসম্পূর্ণ
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে,যার কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফ্যালো তুমি,তার চোখে প্রেম ছিলো , প্রেম। তোমারসম্পূর্ণ
প্রেম পাচ্ছে খুব
কিভাবে বলি বলুন তো!এভাবে কি বলা যায়?আপনাকে দেখলেই প্রেম পাচ্ছে খুব!বুকের মধ্যে ঢিপঢিপ শব্দ হচ্ছে,পানিসম্পূর্ণ
নারী প্রেম
নারী তোমার শাড়ির উপরের উঁচু স্তনে হাত বুলাতে নয়,আমি ভালবাসি তোমার কোমল গালের স্পর্শকে।নারী তোমারসম্পূর্ণ
তুই কি আমার দুঃখ হবি
তুই কি আমার দুঃখ হ’বি?এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউলরুখো চুলে পথের ধুলোচোখের নীচে কালোসম্পূর্ণ
আমি এসেছি!
ইতিহাস থেকে আমি ছুটে এসেছি-কেবল তোমার বর্তমান হবো বলে!আমাকে গ্রহণ করো নতজানু প্রেম,আমাকে বেঁধে নাওসম্পূর্ণ
লবনাক্ত চুম্বন
একদিন মধ্যরাতে তুমুল ঝগড়া শেষে আমরা বিপরীতমুখী হয়ে শুয়েঅভাববোধ করবো একটি লবনাক্ত চুমোর, কিছু অনর্থকসম্পূর্ণ












