দূর পৃথিবীর গন্ধে ভরে ওঠে
দূর পৃথিবীর গন্ধে ভরে ওঠে আমার এ বাঙালির মনআজ রাতে; একদিন মৃত্যু এসে যদি দূরসম্পূর্ণ
দূর পৃথিবীর গন্ধে ভরে ওঠে আমার এ বাঙালির মনআজ রাতে; একদিন মৃত্যু এসে যদি দূরসম্পূর্ণ
তবু তাহা ভুল জানি — রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা:তবুও পদ্মার রূপ একুশরত্নের চেয়ে আরো ঢেরসম্পূর্ণ
তুমি কেন বহু দূরে — ঢের দূর — আরো দূরে — নক্ষত্রের অস্পষ্ট আকাশতুমি কেনসম্পূর্ণ
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারের’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরেরসম্পূর্ণ
তোমরা স্বপ্নের হাতে ধরা দাও—আকাশের রৌদ্র ধুলো ধোঁয়া থেকে স’রেএইখানে চ’লে এসো; পৃথিবীর পথে আমিসম্পূর্ণ
মাঠের ভিড়ে গাছের ফাঁকে দিনের রৌদ্রে অই;কুলবধুর বহিরাশ্রয়িতার মতন অনেক উড়েহিজল গাছে জামের বনে হলুদপাখিরসম্পূর্ণ
বিকেলবেলার আলো ক্রমে নিভেছে আকাশ থেকে।মেঘের শরীর বিভেদ ক’রে বর্শাফলার মতোসূর্যকিরণ উঠে গেছে নেমে গেছেসম্পূর্ণ
পৃথিবী সূর্যকে ঘিরে ঘুরে গেলে দিনআলোকিত হয়ে ওঠে—রাত্রি অন্ধকারহয়ে আসে; সর্বদাই, পৃথিবীর আহ্নিক গতিরএকান্ত নিয়ম,সম্পূর্ণ
কেমন আশার মতো মনে হয় রোদের পৃথিবী,যতদূর মানুষের ছায়া গিয়ে পড়েমৃত্যু আর নিরুৎসাহের থেকে ভয়সম্পূর্ণ
শীতের কুয়াশা মাঠে; অন্ধকারে এইখানে আমি।আগত ও অনাগত দিন যেন নক্ষত্রবিশাল শূন্যতারএই দিক- অথবা অপরসম্পূর্ণ
নিজেকে নিয়মে ক্ষয় ক’রে ফেলে রোজইচ’লেছে সময়;তবুও স্থিরতা এক র’য়ে গেছে,সময় ক্ষয়ের মতো নয়। অঘ্রাণেরসম্পূর্ণ