হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ (সম্পূর্ন)
মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে। পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নামসম্পূর্ণ
মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে। পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নামসম্পূর্ণ
বসন্ত এলো বলে তোমাকে বললাম, শাড়ি পড়ো। টকটকে লাল শাড়ি, যেখানে ডুবে যাবে আমার পুর্বাপর,সম্পূর্ণ
শরীর জুড়ে জমে আছে প্লেটোনিক বিক্ষোভ,আমি মহৎ একজন, খুঁজে নেই নিয়ান্ডারথাল সুখ।পুরোপুরি হতভম্ব আমি হেটেসম্পূর্ণ
একটা কবিতা লিখতে, আমাকে রাষ্ট্রের উঁচুতম শীতাতপনিয়ন্ত্রক কক্ষ্য থেকে নিষেধ করা হয়েছিলো, আমাকে নিষেধ করাসম্পূর্ণ
দেবী, তোমাকে লিখছি, মেট্রোরেলের আগমনবার্তায়। ক্যামন আছো? প্রশ্নটি করা উচিৎ হয়নি কারণ তুমিতো ভালোই থাকো।সম্পূর্ণ
জেনে গ্যাছি, দুজনে দুপথের পথিক সবশেষে। জেনে গ্যাছি, শীত তোমার দূর্সম্পর্কের প্রেমিক, কুয়াশায় রোদ সরিয়েসম্পূর্ণ
অনুভবের মনপুকুরে একসময় শৈবালধরেছিলো পিচ্ছিল ছিল তার ঘাটের সিঁড়ি,অবুঝ মনে বুঝের বড্ড অভাবী কান্না ছিলএকাকীত্বসম্পূর্ণ
তোমার বক্ষ মাস্তুলে যতবার কবিতা লিখেছিততবার একটি অক্ষর হারিয়ে গেছে নতুনত্বেএকটি প্রতীক হারিয়েছে অক্ষরসাথী হয়ে,তোমারসম্পূর্ণ
অবসরের ডানাহীন পাখির দুঃখ কেউ বুঝেনিচেয়েছিল ডানাযুক্ত পাখির মত কর্মযুক্ত জীবন,ডানাহীন পাখিটি স্বপ্নহীন দুর্বিষহ মানচিত্রেসম্পূর্ণ
কলকাতা শহরে মাত্র একটি দুটি তিনটি মানুষএখনো যুবক হয়ে আছে স্বেচ্ছাচারে।ফুটবলের মতো তারাকারো পায়ে থাকেসম্পূর্ণ
আমরা কথা বলি ভিতরে ঢুকে পড়ে কার যেন ঠাণ্ডা হাত। আমরা বলি শাক সবজির মতোসম্পূর্ণ