তারা আমাদের কেউ নয়
তারা আমাদের কেউ নয় যারা মসজিদ ভাঙেআর মন্দির পোড়ায়,তাদের মুখের দিকে চেয়ে সমস্ত আবেগরাশিহয়ে যাওসম্পূর্ণ
তারা আমাদের কেউ নয় যারা মসজিদ ভাঙেআর মন্দির পোড়ায়,তাদের মুখের দিকে চেয়ে সমস্ত আবেগরাশিহয়ে যাওসম্পূর্ণ
আমাদের সেই কথোপকথন, সেই বাক্যালাপগুলিটেপ করে রাখলেপৃথিবীর যে-কোনো গীতি কবিতারশ্রেষ্ঠ সঙ্কলন হতে পারতো;হয়তো আজ তারসম্পূর্ণ
আমি হয়তো কোনোদিন কারো বুকেজাগাতে পারিনি ভালোবাসা,ঢালতে পারিনি কোনো বন্ধুত্বেরশিকড়ে একটু জল-ফোটাতে পারিনি কারো একটিওসম্পূর্ণ
এখানে প্রেমিক নেই আমি ছাড়াসর্বক্ষণ উদ্যত পুরুষহাতে যার যুদ্ধজয়ী পিতার কৃপাণহুলস্তুল মধ্যরাতেযখন পাল্টে যায় সবুজসম্পূর্ণ
এই আকাশ কি আমার নয়আমি তার শুশ্রূষা হারাবো?এই ভোরের শিশির, উদাসীন মেঘ,স্নিগ্ধ বনভূমিআমি তার সান্নিধ্যসম্পূর্ণ
বড়ো ত্রাস, সদর দরোজা ভেঙেযেন হুহু করে মধ্যরাতে ঢুকে পড়ে সন্ত্রাসের ট্রাকঅকস্মাৎ ভেঙে দেয় নিসর্গেরসম্পূর্ণ
একটা চু’পের মাঝে চুপচাপ বসে ভাবি; আচ্ছা মেলোড্রামাটিক নিস্তব্ধতার বিছানায় শুয়ে— আমি এত বছর ঘুমিয়েছিসম্পূর্ণ
আপনাকে দেখিনি আমি; তবে আপনিআমার অচেনানন পুরোপুরি, কারণ বাঙলারমায়েদের আমিমোটামুটি চিনি, জানি। হয়তোগরিব পিতার ঘরেবেড়েসম্পূর্ণ
খুব ভালো চমৎকার লাগছে লিলিআন,মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে হবো না চৌচির।তরঙ্গে তরঙ্গে ভ্রষ্ট অন্ধ জলযানএখন চলবে জলেসম্পূর্ণ
আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়েরসম্পূর্ণ
তুমি কি জুলেখা, শিরী, সাবিত্রী, নাকি রজকিনী? চিনি, খুব জানি তুমি যার তার, যে কেউসম্পূর্ণ