প্রিয় বৃষ্টি
প্রিয় বৃষ্টি!তুমি বড্ড বেশি গোলমেলে।আমার শত কাঠখড় পোড়ানো ব্যস্ত দিনের শেষে!একরাশ অভিমান ভরা রাতটাও তুমিসম্পূর্ণ
যা কিছু বাকি থেকে যায়
আমার এ বুকের ক্ষতে বেঁধে দাও কিছু আয়ু,আমি নিষ্পাপ এক শিশুর মতো আবার জন্মাই!আমাকে পাহাড়সম্পূর্ণ
তোমার কেউ আছে!
ইরাবতী তুমি বলছো তোমার কেউ নেই!অথচ তাকিয়ে দেখ,তোমার চোখে মায়ায় উড়ে যাচ্ছে সময়।তোমার নিস্তব্ধতায়,পুড়ে যাচ্ছেসম্পূর্ণ
তোমার কাব্যে আমি কাব্যিক
তোমার বিদ্রোহে, আমি বিদ্রোহী। তোমার কবিতায়, আমি কবি।তোমার উপন্যাসে, আমি ঔপন্যাসিক। তোমার সাধনায়, আমি সাধক।তোমারসম্পূর্ণ
মাছরাঙা অথবা ধানশালিক
‘মাছরাঙ্গা নয়, বরং ধান শালিককে ভালোবেসে দেখুন!’আড্ডার মাঝখানে এমন নির্দেশে আমরা কয়েকজন নড়েচড়ে বসলাম,নির্দেশদাতার দিকেসম্পূর্ণ
এক ব্যতিক্রমী বৃষ্টির গান
চলো দু’জনে হারিয়ে যাই বৃষ্টিমুখর কোনো সন্ধ্যায়,হাতে হাত ধরে দূরে বহুদূরেবৃষ্টির বিলাসী গান শুনেগায়ে মেখেসম্পূর্ণ
আমি তোমাকে ভীষণ ভাবে জানি
আমি জানি মেয়ে,তোমার রাত বিছানায়আর কবিতা থাকে না কোনো।তোমার শিৎকার জুড়ে থাকেনা কোনো প্রেম। আমিসম্পূর্ণ
দয়া করে পালাবেন না
জীবন থেকে পালিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়!একটু সামনে গেলেই রেল স্টেশন, তারপর রেলগাড়ি!এরপর?কু ঝিকঝিক শব্দেসম্পূর্ণ
নিস্তব্ধতা
নিস্তব্ধতা;দীর্ঘশ্বাসেরও শব্দ নেই, গাল বেয়ে পড়া দুর্বোধ্য দু’ফোটা অশ্রুরনির্ঝরতার শব্দ নেই, নিস্তব্ধতার কান্না!হৃদয়ের গহীন হতেসম্পূর্ণ
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে
সঙ্গমান্তে ফরজ গোসল শেষে,যার কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফ্যালো তুমি,তার চোখে প্রেম ছিলো , প্রেম। তোমারসম্পূর্ণ












