অন্ধকার থেকে
গাঢ় অন্ধকার থেকে আমরা এ-পৃথিবীর আজকের মুহূর্তে এসেছি।বীজের ভেতর থেকে কী ক’রে অরণ্য জন্ম নেয়,-জলেরসম্পূর্ণ
গাঢ় অন্ধকার থেকে আমরা এ-পৃথিবীর আজকের মুহূর্তে এসেছি।বীজের ভেতর থেকে কী ক’রে অরণ্য জন্ম নেয়,-জলেরসম্পূর্ণ
ডুবলো সূর্য; অন্ধকারের অন্তরালে হারিয়ে গেছে দেশ।এমনতর আঁধার ভালো আজকে কঠিন রুক্ষ শতাব্দীতে।রক্ত-ব্যথা ধনিকতার উষ্ণতাসম্পূর্ণ
আকাশের থেকে আলো নিভে যায় ব’লে মনে হয়।আবার একটি দিন আমাদের মৃগতৃষ্ণার মতো পৃথিবীতেশেষ হয়েসম্পূর্ণ
কোনো দিন নগরীর শীতের প্রথম কুয়াশায়কোনো দিন হেমন্তের শালিখের রঙে ম্লান মাঠের বিকেলেহয়তো বা চৈত্রেরসম্পূর্ণ
এখন শীতের রাতে অনুপম ত্রিবেদীর মুখ জেগে ওঠে।যদিও সে নেই আজ পৃথিবীর বড়ো গোল পেটেরসম্পূর্ণ
হে মৃত্যু,তুমি আমাকে ছেড়ে চলেছো ব’লে আমি খুব গভীর খুশি? কিন্তু আরো-খানিকটা চেয়েছিলাম;চারিদিকে তুমি হাড়ের পাহাড়সম্পূর্ণ
সূর্যের আকাশের মত মানুষেরা অনুভাবনায় স্থিরএক আশ্বাস রয়ে গেছে পৃথিবীতে,রয়ে গেছে আমাদের হৃদয়ে যে এইইতিহাসসম্পূর্ণ
এই পৃথিবীর বুকের ভিতরে কোথাও শান্তি আছে;অঘ্রাণ মাস রাত্রি হ’লে অনেক বিষয়াবিষের সমাধানমাঠে জলে পাখিরসম্পূর্ণ
সে এক দেশ অনেক আগের শিশুলোকের থেকেসাগরগামী নদীর মত স্বরেআমার মনের ঘুঘুমরালহংসী ঝাউয়ের বনেআধোসম্পূর্ণ
ঘাটশিলা—ঘটশিলা—কলকাতা ছেড়ে বল ঘাটশিলা কে যায় মিছাইচিরদিন কলতাকা থাকি আমি,ঘাটশিলা ছাই। চিঠির উপরে তবু চিঠিকয়েকটাসম্পূর্ণ