যতদিন বেঁচে আছি
যতদিন বেঁচে আছি আকাশ চলিয়া গেছে কোথায় আকাশেঅপরাজিতার মতো নীল হয়ে-আরো নীল-আরো নীল হয়েআমি যেসম্পূর্ণ
যতদিন বেঁচে আছি আকাশ চলিয়া গেছে কোথায় আকাশেঅপরাজিতার মতো নীল হয়ে-আরো নীল-আরো নীল হয়েআমি যেসম্পূর্ণ
অনেক রাত্রির শেষে তারপর এই পৃথিবীকেভালো ব’লে মনে হয়;—সময়ের অমেয় আঁধারেজ্যোতির তারণকণা আসে,গভীর নারীর চেয়েসম্পূর্ণ
মানুষের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি পৃথিবীর পথে এসে — হাসির আস্বাদপেয়ে গেছি; দেখেছি আকাশে দূরেসম্পূর্ণ
হে পাবক, অনন্ত নক্ষত্রবীথি তুমি, অন্ধকারেতোমার পবিত্র অগ্নি জ্বলে।অমাময়ী নিশি যদি সুজনের শেষ কথা হয়,আর তার প্রতিবিম্ব হয় যদি মানব-হৃদয়,তবুও আমার জ্যোতিসম্পূর্ণ
আমরা হেঁটেছি যারা নির্জন খড়ের মাঠে পউষ সন্ধ্যায়,দেখেছি মাঠের পারে নরম নদীর নারী ছড়াতেছে ফুলকুয়াশারসম্পূর্ণ
গোধূলির রঙ লেগে অশ্বত্থ বটের পাতা হতেছে নরম;খয়েরী শালিখগুলো খেলছে বাতাবীগাছে—তাদের পেটের শাদা রোমসবুজ পাতারসম্পূর্ণ
আঁধারে হিমের আকাশের তলেএখন জ্যোতিষ্কে কেউ নেই।সে কারা কাদের এসে বলেঃএখন গভীর পবিত্র অন্ধকার;হে আকাশ,সম্পূর্ণ
একজন সামান্য মানুষকে দেখা যেতো রোজছিপ হাতে চেয়ে আছে; ভোরের পুকুরেচাপেলী পায়রাচাঁদা মৌরলা আছে;উজ্জ্বল মাছেরসম্পূর্ণ