পঁচিশ বছর পরে (মাঠের গল্প)
শেষবার তার সাথে যখন হয়েছে দেখা মাঠের উপরেবলিলাম: ‘একদিন এমন সময়আবার আসিয়ো তুমি, আসিবার ইচ্ছাসম্পূর্ণ
পিপাসার গান
কোনো এক অন্ধকারে আমিযখন যাইব চলে — আরবার আসিব কি নামিঅনেক পিপাসা লয়ে এ মাটিরসম্পূর্ণ
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারের’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরেরসম্পূর্ণ
তোমার বুকের থেকে একদিন
তোমার বুকের থেকে একদিন চলে যাবে তোমার সন্তানবাংলার বুক ছেড়ে চলে যাবে; যে ইঙ্গিতে নক্ষত্রওসম্পূর্ণ
তবু তাহা ভুল জানি
তবু তাহা ভুল জানি — রাজবল্লভের কীর্তি ভাঙে কীর্তিনাশা:তবুও পদ্মার রূপ একুশরত্নের চেয়ে আরো ঢেরসম্পূর্ণ
তুমি কেন বহু দূরে
তুমি কেন বহু দূরে — ঢের দূর — আরো দূরে — নক্ষত্রের অস্পষ্ট আকাশতুমি কেনসম্পূর্ণ
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও
তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পারের’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরেরসম্পূর্ণ
নবপ্রস্থান
শীতের কুয়াশা মাঠে; অন্ধকারে এইখানে আমি।আগত ও অনাগত দিন যেন নক্ষত্রবিশাল শূন্যতারএই দিক- অথবা অপরসম্পূর্ণ
নিজেকে নিয়মে ক্ষয়
নিজেকে নিয়মে ক্ষয় ক’রে ফেলে রোজইচ’লেছে সময়;তবুও স্থিরতা এক র’য়ে গেছে,সময় ক্ষয়ের মতো নয়। অঘ্রাণেরসম্পূর্ণ
হেমন্ত কুয়াশায়
সকাল-সন্ধ্যাবেলা আমি সেই নারীকে দেখেছিজেনেছি অনেক দিন- তারপর তবুও ভেবেছি।তারপর ঢের দিন পৃথিবীর সেই শাদাসম্পূর্ণ