কবিতা মৃত্যুর আগে আমার শেষ সাত মিনিটে তুমি থেকো—
কবি নাইমুর রহমান
কাব্যগ্রন্থ মহাকালের কাব‍্য
সময় ৪ঠা জুলাই ২০২৩, রাতঃ ০৪ টা ৩৪ মিনিট
উৎসর্গ শুচিস্মিতা
লিখার স্থান Ri Kynjai - Serenity By The Lake-উমিয়াম লেকের (Umiam Lake) পাড়ে।
সম্পৃক্ততা এক অসমাপ্ত ভালোবাসার আজীবন মায়া
কবিতার বিষয় প্রেম
Review This Poem

মৃত্যুর আগে আমার শেষ সাত মিনিটে তুমি থেকো—

—একজন প্রেমিকের শেষ ইচ্ছের কবিতা

শোনো প্রিয়,
মানুষ বলে, মৃত্যুর পরেও নাকি
মস্তিষ্কের ভেতর কিছুক্ষণ আলো জ্বলে থাকে,
জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলো
একবার শেষবারের মতো ফিরে আসে চোখের আড়ালে।

জানি না, কথাটা কতটা সত্যি,
জানি না, মৃত্যুর ওপারে সত্যিই কোনো পর্দা ওঠে কি না,
শুধু এটুকু জানি—
আমার জীবনের শেষ মুহূর্তে
যদি কোনো স্মৃতি আমাকে খুঁজে নেয়,
আমি চাই, সেই স্মৃতির নাম হোক তুমি।

আমার শেষ সাত মিনিটে তুমি থেকো, প্রিয়।
ঠিক সাত মিনিট, এর বেশি কিছু চাইব না।
সারা জীবন তো তোমাকে চেয়েছি,
মৃত্যুর কাছে গিয়ে আর দীর্ঘ কোনো আবদার করতে চাই না।

প্রথম মিনিটে এসো আমার সেই দিন হয়ে,
যেদিন তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম।
পৃথিবীর এত মানুষের ভিড়ে
কেন যে তোমার মুখটাই আমার চোখে থেমেছিল,
আজও তার উত্তর খুঁজে পাইনি।

শুধু মনে আছে,
সেদিনের পর থেকে পৃথিবীটা আর আগের মতো ছিল না।
আকাশ তখনো নীল ছিল,
বৃষ্টিও আগের মতোই পড়ত,
শুধু আমার ভেতরে কেউ একজন
নিঃশব্দে তোমার নামে একটা পৃথিবী বানিয়ে ফেলেছিল।

দ্বিতীয় মিনিটে এসো আমার অপেক্ষা হয়ে।
ফোনের পর্দায় তোমার নাম ভেসে ওঠার অপেক্ষা,
একটা ছোট্ট বার্তার জন্য
বারবার ফোন হাতে নেওয়ার অভ্যাস,
তোমার সামান্য অভিমানে সারাটা দিন খারাপ হয়ে যাওয়া,
আবার তোমার একটু ভালোবাসায়
সব দুঃখ ভুলে বেঁচে থাকার সাহস পাওয়া।

তুমি হয়তো জানতে না,
তোমার কাছে যে কথাগুলো ছিল সামান্য,
আমার কাছে সেগুলোই ছিল
একটা কঠিন দিন পার করে দেওয়ার মতো আশ্রয়।

তৃতীয় মিনিটে এসো আমার নীরবতা হয়ে।
যে কথাগুলো কোনো দিন বলা হয়নি,
যে অভিমানগুলো তোমাকে বুঝতে দিইনি,
যে রাতগুলোতে তোমাকে ভীষণ মনে পড়লেও
শুধু তোমার ঘুমের কথা ভেবে
আর একটা বার্তা পাঠাইনি—

সেসব রাতের পাশে একটু বসো।

দেখবে, আমার নীরবতা কখনো শূন্য ছিল না,
সেখানে তোমার নাম ছিল,
তোমার ভালো থাকার জন্য প্রার্থনা ছিল,
আর ছিল এক অসহায় মানুষের ভয়—
তোমাকে হারিয়ে ফেললে
সে নিজের কোন অংশটুকু নিয়ে বাঁচবে?

চতুর্থ মিনিটে এসো আমার অপূর্ণ স্বপ্ন হয়ে।
যে পথে তোমার হাত ধরে হাঁটার কথা ছিল,
যে বিকেলে পাশাপাশি বসে
এক কাপ চা ভাগ করে খাওয়ার ইচ্ছে ছিল,
যে সংসারে তোমার ক্লান্ত মুখ দেখে
বলতে চেয়েছিলাম,
“এসো, আজ আর কিছু করতে হবে না,
বাকি পৃথিবীটা আমি সামলে নেব”—

সেই না-হওয়া দিনগুলো নিয়ে এসো।

আমি তোমাকে শুধু প্রেমিকা হিসেবে চাইনি, প্রিয়,
আমি তোমাকে চেয়েছিলাম আমার প্রতিদিনের মানুষ হিসেবে।
যার সঙ্গে বয়স বাড়বে,
চোখের নিচে ক্লান্তির রেখা পড়বে,
চুলে অল্প অল্প সাদা রং ধরবে,
তবু একদিন সন্ধ্যায় তোমার দিকে তাকিয়ে
মনে মনে বলব—

“দেখো, এত বছর পরেও
আমার পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষটা
আমার পাশেই বসে আছে।”

পঞ্চম মিনিটে এসো আমার কান্না হয়ে।

যদি তখনও আমার চোখে জল থাকে,
ভেবো না, আমি মরতে ভয় পাচ্ছি।
হয়তো আমার কষ্ট হচ্ছে এই ভেবে—
তোমার সঙ্গে আর কোনো দিন
সাধারণ একটা সকাল ভাগ করে নেওয়া হবে না।

আর কোনো দিন তোমার রাগ ভাঙানো হবে না,
তোমার মন খারাপের কারণ জানতে চাওয়া হবে না,
তোমার অসুখের রাতে জেগে থেকে
বারবার জিজ্ঞেস করা হবে না,
“এখন একটু ভালো লাগছে?”

মানুষ ভাবে, ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ
প্রিয় মানুষের জন্য মরে যাওয়া।
আমি তা মনে করি না।

ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো,
প্রিয় মানুষটার সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য
প্রতিদিন নতুন একটা কারণ খুঁজে পাওয়া।

আমি মরতে চাইনি, প্রিয়।
আমি তোমার সঙ্গে বাঁচতে চেয়েছিলাম।
এতটাই বাঁচতে চেয়েছিলাম যে,
একদিন মৃত্যু এসে দাঁড়ালেও
আমি বলতে পারি—
আর একটু সময় দাও,
আমার মানুষটার সঙ্গে
এখনো কত সাধারণ দিন বাকি!

ষষ্ঠ মিনিটে এসো আমার ভয় হয়ে।

আমার ভয় মৃত্যুকে নিয়ে নয়,
আমার ভয়—আমাকে ভুলে যেতে তোমার
খুব বেশি সময় লাগবে না তো?

হয়তো একদিন আমার ছবিটা
তোমার ফোনের পুরোনো ফোল্ডারে চলে যাবে,
আমাদের কথোপকথন হারিয়ে যাবে
অগণিত নতুন বার্তার ভিড়ে,
আমার জন্মদিনটা মনে করিয়ে দেওয়ার মতো
পৃথিবীতে আর কেউ থাকবে না।

হয়তো কোনো এক বৃষ্টির দিনে
হঠাৎ আমার কথা মনে পড়বে তোমার,
তুমি কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকবে,
তারপর আবার নিজের কাজে ফিরে যাবে।

আমি চাই না, আমার জন্য
তোমার জীবন থেমে থাকুক।
তোমার হাসি হারিয়ে যাক,
তোমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে আসুক,
অথবা আমার স্মৃতিকে ভালোবাসতে গিয়ে
তুমি নতুন করে কাউকে ভালোবাসার সাহস হারিয়ে ফেলো।

শুধু কখনো যদি মনে পড়ে,
মনে রেখো—
পৃথিবীতে একজন মানুষ ছিল,
যে তোমাকে পাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল ঠিকই,
কিন্তু তার সমস্ত ভালোবাসার বিনিময়েও
তোমার সুখ কেড়ে নিতে চায়নি।

আর তারপর—

সপ্তম মিনিট।

এবার আর কোনো স্মৃতি নয়, প্রিয়।
এবার শুধু তুমি থেকো।

কোনো প্রশ্ন কোরো না,
কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়ো না,
আমাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য
কোনো অলৌকিক চেষ্টা কোরো না।

শুধু আমার পাশে বসে থেকো,
যেমন করে একজন মানুষ
তার সবচেয়ে আপন মানুষটার পাশে বসে থাকে।

যদি আমার চোখ তখন তোমাকে চিনতে না পারে,
যদি আমার ঠোঁট তোমার নাম উচ্চারণ করতে ভুলে যায়,
যদি আমার মস্তিষ্কের সমস্ত পরিচিত পথ
এক এক করে অন্ধকার হয়ে আসে—

তবুও একটু কাছে থেকো।

কারণ, তোমাকে চেনার জন্য
আমার স্মৃতির প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলেও
তোমাকে ভালোবাসার ইতিহাস তো মুছে যাবে না।

যে হাত একদিন তোমার হাত খুঁজেছিল,
সে হাত হয়তো আর শক্ত করে ধরতে পারবে না;
যে চোখ তোমাকে দেখে বেঁচে থাকার অর্থ খুঁজেছিল,
সে চোখ হয়তো আর তোমার দিকে তাকাবে না।

তবু আমার সমস্ত অস্তিত্বের কাছে
তুমি সেই মানুষটাই থেকে যাবে,
যার সঙ্গে জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখে
আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চেয়েছিলাম।

আর যদি সত্যিই শেষ সাত মিনিটে
জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলো ফিরে আসে,
তবে আমার কাছে পৃথিবীর সব স্মৃতি ফিরিয়ে এনো না।

আমার প্রথম কান্না নয়,
প্রথম হাঁটা নয়,
প্রথম স্কুলে যাওয়া নয়,
কিংবা জীবনের কোনো অর্জনও নয়।

আমাকে শুধু সেই মুহূর্তটা ফিরিয়ে দিয়ো,
যখন তোমার পাশে দাঁড়িয়ে
আমার মনে হয়েছিল—
এই মানুষটার সঙ্গে থাকলে
পৃথিবীটা যত কঠিনই হোক,
আমি পারব।

আমি সব পারব।

আর যদি মৃত্যুর ঠিক আগে
আমার মস্তিষ্ক তার শেষ প্রদীপটুকুও নিভিয়ে দেয়,
যদি আমার স্মৃতির দরজাগুলো বন্ধ হয়ে যায়,
যদি আমি ভুলে যাই আমার নাম,
আমার ঠিকানা, আমার এত দিনের জীবন—

তাহলে আমার কোনো পরিচয় মনে করিয়ে দিয়ো না।

শুধু আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে
একবার আমার নাম ধরে ডেকো।

তারপর খুব আস্তে করে বলো,
“আমি এসেছি।”

হয়তো আমি উত্তর দিতে পারব না।
হয়তো আমার চোখে কোনো আলো জ্বলবে না।
হয়তো আমার শরীরের কাছে
তোমার উপস্থিতি আর কোনো অর্থই বহন করবে না।

তবু তুমি বলো।

কারণ, সারা জীবন আমি তোমার আসার অপেক্ষায় ছিলাম,
শেষ মুহূর্তেও আমার অপেক্ষাটা
অন্তত একবার পূর্ণ হোক।

আর যদি সত্যিই তোমাকে চিনতে না পারি,
যদি তোমার মুখ আমার কাছে অপরিচিত হয়ে যায়,
যদি আমার সমস্ত স্মৃতি আমাকে ছেড়ে চলে যায়—

তবে আমার হয়ে তুমি একটু কেঁদো, প্রিয়।

আমার ভুলে যাওয়ার জন্য নয়,
আমাদের না-পাওয়া দিনগুলোর জন্য।

সেই সকালের জন্য, যেদিন একসঙ্গে ঘুম ভাঙার কথা ছিল।
সেই বিকেলের জন্য, যেদিন তোমার হাত ধরে বাড়ি ফেরার কথা ছিল।
সেই বৃদ্ধ বয়সের জন্য,
যেদিন তোমার কাঁপা হাতে ওষুধ তুলে দিয়ে
আমি হাসতে হাসতে বলতাম,
“এত তাড়াতাড়ি বুড়ো হয়ে গেলে?”

আমাদের যে জীবনটা কোনো দিন বেঁচে ওঠেনি,
তার জন্য একটু কেঁদো।

তারপর চোখ মুছে নিয়ো।

কারণ, আমি যদি তোমাকে সত্যিই ভালোবেসে থাকি,
তবে আমার শেষ ইচ্ছেটা কখনোই হবে না
তোমাকে আমার মৃত্যুর মধ্যে আটকে রাখা।

আমার শেষ ইচ্ছা হবে—
আমি না থাকলেও তুমি যেন বাঁচো,
সকালের রোদে মুখ রাখো,
বৃষ্টিতে ভেজো,
মন খুলে হাসো,
আবার কাউকে বিশ্বাস করো।

আর কোনো এক রাতে,
অনেক বছর পর,
যখন তোমার বয়স বেড়ে যাবে,
জীবনের ব্যস্ততা তোমাকে ক্লান্ত করে দেবে,
তুমি হয়তো জানালার পাশে বসে
কোনো পুরোনো স্মৃতির ভেতর হারিয়ে যাবে—

সেদিন যদি হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে,
তবে একবার শুধু ভেবো—

একজন মানুষ ছিল,
যে তোমাকে তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি বানাতে চায়নি শুধু;
সে তোমাকে তার প্রতিটি আগামীকালের অংশ
করে নিতে চেয়েছিল।

কিন্তু জীবন তাকে সেই সময়টুকু দেয়নি।

তবু সে তোমাকে ভালোবেসেছিল।

এমনভাবে ভালোবেসেছিল,
যে ভালোবাসা শুধু তোমার মুখ মনে রাখেনি,
তোমার সুখের জন্য নিজের ইচ্ছেকেও
পিছিয়ে রাখতে শিখেছিল।

এমনভাবে ভালোবেসেছিল,
যে ভালোবাসা পাওয়ার নিশ্চয়তা না পেয়েও
তোমার মঙ্গল কামনা করতে পেরেছিল।

এমনভাবে ভালোবেসেছিল,
যে ভালোবাসা মৃত্যুকে ডেকে আনেনি,
বরং তোমার সঙ্গে বেঁচে থাকার
একটি মাত্র সুযোগের জন্য
জীবনের কাছে হাত পেতেছিল।

তাই প্রিয়,
আমার শেষ সাত মিনিটে তুমি থেকো।

আমি জানি না, মৃত্যুর পরে
স্মৃতি সাত মিনিট বেঁচে থাকে কি না।
জানি না, শেষ নিঃশ্বাসের পরে
কোনো মানুষ আরেকজন মানুষকে অনুভব করতে পারে কি না।

আমি শুধু জানি,
এই মুহূর্তে আমি বেঁচে আছি,
আমার হৃদয় এখনো স্পন্দিত হচ্ছে,
আমার চোখ এখনো পৃথিবী দেখতে পাচ্ছে,
আর আমার জীবনের এই চলমান সময়টুকুতে
আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারছি।

তাই আমার শেষ সাত মিনিটের অপেক্ষায় থেকো না।

আজই আমার পাশে থেকো।
আজই আমার হাতটা ধরো।
আজই আমাকে নিয়ে বেঁচে থাকার
একটা ছোট্ট কারণ খুঁজে নাও।

কারণ, মৃত্যুর পরে তোমাকে মনে করার
সাত মিনিট পাওয়ার চেয়ে
জীবিত অবস্থায় তোমার সঙ্গে
সাতটি সাধারণ সকাল কাটানোও
আমার কাছে অনেক বেশি মূল্যবান।

আর যদি কোনো দিন সত্যিই
আমার জীবনের শেষ সাত মিনিট এসে যায়,
যদি পৃথিবীর সমস্ত শব্দ ধীরে ধীরে থেমে আসে,
যদি সময় তার শেষ দরজাটাও বন্ধ করে দেয়—

তখন আমার সমস্ত স্মৃতির ভিড় থেকে
শুধু তোমাকেই বেছে নেব।

কারণ, আমার জীবনের গল্পে
অনেক মানুষ এসেছিল,
অনেক মুখ সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছে,
অনেক স্বপ্ন ভেঙেছে,
অনেক প্রাপ্তি একদিন মূল্যহীন হয়েছে।

কিন্তু তুমি—

তুমি ছিলে সেই মানুষ,
যাকে ভালোবেসে আমি বুঝেছিলাম,
জীবন শুধু বেঁচে থাকার নাম নয়;
জীবন হলো কারও জন্য
আরও কিছুক্ষণ বেঁচে থাকতে চাওয়া।

আর আমার শেষ সাত মিনিটে, প্রিয়,
আমি মৃত্যুকে নয়—
তোমার সঙ্গে বেঁচে থাকতে না-পারার
দুঃখটাকেই সবচেয়ে বেশি অনুভব করব।

তবু যদি সেই সাত মিনিটের শেষেও
আমার মনে কোনো একটি বাক্য বেঁচে থাকে,
তবে সেটুকু তোমার জন্য রেখে যাব—

“আমি চলে যাচ্ছি বলে ভেবো না,
আমার ভালোবাসাটাও চলে যাচ্ছে।

মানুষের স্মৃতি মুছে যেতে পারে,
কণ্ঠস্বর থেমে যেতে পারে,
একদিন পৃথিবীও ভুলে যেতে পারে
আমার অস্তিত্বের সমস্ত চিহ্ন।

তবু আমি যত দিন বেঁচে ছিলাম,
আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ইচ্ছেটা ছিল—
তোমার সঙ্গে আরও একটু বেঁচে থাকা।”

— সমাপ্ত।—

(নাইমুর রহমান)
কল্পনার জগতের গল্পকার—

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted