| কবিতা | চক্রব্যূহ ( অভেদ্য ঘূর্ণাবর্ত ) |
| কবি | নিমাই জানা |
| সময় | 21/03/2026 |
| উৎসর্গ | মৃত পিতাকে |
| লিখার স্থান | রুইনান , সবং |
| কবিতার বিষয় | রূপক |
আধপোড়া ছাই অঙ্গার বিভুষিত দ্রব্যহীন রজশাস্ত্রের অতি লক্ষাধিক জলের পারমাণবিক সন্ন্যাসীর সাংখ্যমান বিবর্জিত দেহ তো দেবীর তৈরি , শঙ্খের বিচিত্র বীজ ছুঁয়ে ছুঁয়ে আছে এ রন্ধ্রময় গান্ধর্ব উপকূলের নৈশকালীন নিষিদ্ধ চান্দ্রবলয় অতি আর্দ্র ও রাষ্ট্র গন্ধের নীল পরিচ্ছদ দুলছে , ঠিক বৃহদারণ্যকের মতো ঘূর্ণায়মান , অক্ষৌহিনীরা স্থির ও হিম স্পাইরাল সাপের মতো ভয়ানক, টারজান ,তারজালির মুখোশ অন্তর্ভেদী দৃশ্য ও মহাপৌরুষেয় জ্ঞান অসংখ্য উদ্দীপক সৈন্যেরা দক্ষ ও লক্ষাধিক ঘিরে ধরে লাল পোকার উজবুক কামড়ের মতো, কামোদের মতো, কামোদ বাজাচ্ছে কেউ , ধ্বংসাত্মক যুদ্ধক্ষেত্রে মহাপুরুষটির জন্ম হচ্ছে না কোনমতেই , অথচ জন্ম নেই শঙ্কর বীজ ফেলছে তুলোর উনসন্নিধান উদ্বাস্তুর উপর , এ পরিসীমা দিগ্বিদিকে প্রসারিত হচ্ছে , অথচ স্থিতিস্থাপক কক্ষপথের অগ্নি সিংহ বলয় চৈতন্যের তৈরি , প্রখর রৌদ্রের মতো মহাকোষ কেন্দ্রে জ্বলছে উত্তপ্ত সূর্যের ছাই ও শুক্রাশয়ের গিঁট , কোন উপায় ও উপগ্রহের চাঁদ নেই। উপদেবী নেই , মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যায় এই ধূসর পরমাত্মা ব্রাহ্মণ বাজাও বলি প্রদত্ত নির্ভীক সন্তানের গর্ভ গৃহে তিনি নির্জনে রচনা করছেন গোপনদ্বার কোন অবিশেষ্য গাণিতিক মহা কুন্ড নেই ঘূর্ণায়মান সুদর্শনের মতো তিনি দ্রবীভূত তেজ ছুঁড়ে দিচ্ছেন। রতি ও নশ্বর দেহের অপভ্রংশ উপাদান রম ও রমন দোষ অথচ দোষী যোনি বীজের নীলাভ পিণ্ডটি কাঁপছে বৈসাদৃশ্য শ্বেতাঙ্গ হরিণের চামড়ার মতো নাভি কেন্দ্রে কোন ছেদক নেই , উপবৃত্তের ধারালো দুটো অক্ষ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঋণাত্মক পুরুষের একান্ত বিশ্বস্ত প্রতিবিম্বটি , ক্রমশ ধবল হচ্ছে সারথীগন