| কবিতা | মহাদ্রুম জৈবিক ফল |
| কবি | মল্লিকা রায় |
| কবিতার বিষয় | অন্যান্য, জীবনমুখী |
শেকড়ে মাটিতে, জীবে আর জলে
ধ্বনিত যাপনকে স্বীকার করতে হয়, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ভাবেই
অমঙ্গল বলে যেটুক তাতে জীবনেরই পরাভব
শূণ্যতা হয়ে অহংজনিত উচ্চারণ !
রসদ শূণ্য স্থাণে অহং ছড়াই বুক ফুটে বেড়োয়
আমারই বেজন্মা, ঠেলা মারে অহরহ
চেতনা খুলে দেখি একটাও সভাসদ নেই কাগজে কলমে
শুধুই অস্তিত্ব লেখার বিক্ষিপ্ত প্রয়াস !
নিব ছুঁয়ে ধরে ফেলেছি কোন উত্তাপ নেই কোথাও
সহস্রাব্দের ঢেউ নিয়ে উথাল পাতাল গন্তব্য
নেই কোন উপস্থাপক নল, বিষন্ন কালে
নাকে মুখে গুঁজে দেবার মত , আব্বুলিশ !
আমি এই খেলায় কোন সরঞ্জাম হতে পারব না
পারব না দিগযন্ত্র হয়ে মোরগের পিছু পিছু
গোলমেলে বৃষ্টি রিপোর্ট দিতে, তার চেয়ে
একফোটা নাভি দাও পরমায়ু রাখি, ঠেলে উঠলে টেথেসকোপ
আমিও শেকড়ে মিলে যাবো, ফাটলের কালে
খাঁমচে,খুবলে নেব মেদবৃত্তের কেশ, উপোসী জমিতে
লাঙলের ফাল ধরে মৃত্যুর পরোয়ানা দেব
চেটে নেব কেশরী উদ্ভাস আহ্ তীব্র জীয়ন আর
পয়মন্ত সৃষ্টির আগুণ ! মাথা মুড়ে বীর্য ঢালো
উপবৃত্ত ক্ষোভে বীরদর্প ভরে দাও ক্ষয়ালু শেকড়ে
আমিও মহাদ্রুম জৈবিক ফল চাই !