| কবিতা | অন্ধকার আদেশ |
| কবি | রামানন্দ দাস |
| সময় | ২০,সেপ্টেম্বর,২০২৩, সকাল |
| উৎসর্গ | সমাজ পরিবেশের মানুষ |
| লিখার স্থান | তমলুক |
| সম্পৃক্ততা | অন্যায় দেখলে রুখে দাঁড়ান |
| কবিতার বিষয় | প্রতিবাদ |
ওরা সব মনে মনে আগাম ছক কষে রেখেছিল! আমাদের ফাঁসি কাঠে ঝোলাবে। নইলে অফিসের মৌখিক মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে – আগ্রহীর স্বীকারোক্তি নিত না কোনদিন।।
আমরা ভেবেছিলাম অতিরিক্ত পরিশ্রম করে – অভাবের তাড়নায় অতিরিক্ত কিছু উপার্জন করব। কিন্তু সরকারের উচ্চ আধিকারিক গণ, ওদের উদ্দেশ্য আলাদা।
পাকাপোক্ত চুক্তি কর্মচারী বেতনের জায়গা’টা এভাবে বন্ধ করতে চায়! নতুন নিযুক্ত অন্ধকার আদেশনামায় সাক্ষর করিয়ে – টার্গেট পূর্ন কাজের ঝুঁকি দ্বারা চাপ সৃষ্টির এই পথ।
সে কিছুতেই মাথা পেতে এত অন্যায় মেনে নেওয়ার নয়।।
আমরা প্রত্যেকেই যোগ্য এবং শিক্ষিত মানুষ। প্রতিবাদের সাহসিকতায় সেহেতু বয়কট ডাকলাম আজ। আমাদের দাবি মতো, নিয়ম যদি মনঃপুত হয়! তবেই রাজি ইচ্ছাকৃত কব্জির অপচয় করতে।।