বেগতিক কৃষক ইরি আবাদের কৃতিত্বের
লজ্জা বয়ে নিয়ে বেড়ায়
ঈশ্বর তার প্রকাণ্ড রক্তাষ্মু জিহ্বা বের করে।
উড়িয়ে দেয় গ্রামের পর গ্রাম, শহরের পর শহর
ভেঙে যায় বিদ‍্যুতের খুঁটি- ভাসমান সোনালী ধানক্ষেত;
আচমকা ডাক দিয়ে যায় অজানা নূহের প্লাবন।সম্পূর্ণ

সিরাজউদ্দৌলার ঘোষণা আসছে
আবারো বাংলা জয়ের।
বখতিয়ার খলজির মতো সতেরো সৈন‍্য নিয়ে উদ্ধারে
নামব বাঘের দ্বীপে
হেসে উঠবে কমল, শিউলি, টিউলিপ, জবা
গান গাইবে কোকিল বিহঙ্গমসম্পূর্ণ

যেমন আমি দেখেছি নদীর অসম্ভব গতিময়তা
তার ক্ষীপ্রতা, টালমাটাল স্রোত।
দূরের সাইনবোর্ডটি যেমন স্থির দাঁড়িয়ে থাকে
ঠিক তেমনটি নয়।
দ‍্যাখ- মোটেও তেমনটি নয়।
ঠিক যেন অন‍্যরকম।সম্পূর্ণ

উষ্ণ পুরুষটির দীর্ঘ গ্রীবায় হাত রাখোনি যদিও
বুকের পাঁজরে ভুলোনি সাহসী যুবকটির বেদনাও
বলোনি- হেঁটেছি, নিঃসঙ্গ হেঁটেছি সঙ্গীহীন
এগিয়ে এসেছে শহুরে লাল শিয়ালের জুটি
এগিয়ে এসেছে জনৈক প্রৌঢ় বৃদ্ধ।
সাহসী মন নিয়ে কেঁপে উঠেছ কখনো
নিভৃত লোকালয়ে উদয় খুঁজেছ কখনো।সম্পূর্ণ

নিদ্রিতা আসছে, আসছে নিদ্রিতা:
প্রিয় শহরে- আমারই প্রিয় শহরে
শিউলি ভেজা সকালে।
তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা
সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে
বলা হয়েছে।একদিন গভীর নিম্নচাপে
আমিও ডুবে মরবো।সম্পূর্ণ

এগিয়ে দিয়েছিলাম স্টেশন পর্যন্ত।তুমি বলেছিলে,
দীর্ঘশ্বাস কবিদের খুব পছন্দ।আমি বলেছিলাম,
সমুদ্র হতে পারবো।তুমি বলেছিলে- আমার চোখে হিমালয়।আমি বলেছিলাম,
অতটা নয়।শুধুমাত্র পাহাড়ি ঝর্ণা।সম্পূর্ণ

সাম্রাজ‍্যবাদের আক্রমণে দিশেহারা ইরাক
আর বিধ্বস্ত আফগানিস্তান আমাকে
প্রতিবাদে লাল শ্লোগানের ডাক দেয়।
তাই থমকে দাঁড়াই ক্রোধে,
বিক্ষোভে, প্রতিবাদে।সম্পূর্ণ

আমার কাছে একজন রূপবতী নারী মানে সোনালী বেন্দ্রে
আমার কাছে একজন লজ্জাবতী রমণী মানে রাধা-রাণী
আমার কাছে আকাশ মানে নীল।সম্পূর্ণ

ভেবেছ কখনো ঐ অপরূপার পাশে তোমাকে
কেমন মানাত!
একটু শান্তি,একটু আনন্দের প্রতীক্ষায়
চেয়ে থেকেছি প্রতিদিন
তুমি ভাবলে হয়তো মুহুর্ত ;
আমি ভাবলাম তাও কঠিন।অথচ দেখো-সম্পূর্ণ