অথচ তোমার মুখে আলো
সময়ের ছারখার, অথচ তোমার মুখে আলো। কালকেউটে এখুনি কামড়ালো কাকে যেন, কাকে? এবারও কি লখিন্দরসম্পূর্ণ
গভীর রাতের ট্রাঙ্ককল কবি পূর্ণেন্দু পত্রী এর কাব্যগ্রন্থ।
সময়ের ছারখার, অথচ তোমার মুখে আলো। কালকেউটে এখুনি কামড়ালো কাকে যেন, কাকে? এবারও কি লখিন্দরসম্পূর্ণ
কার ডাকে জেগে উঠে মেঘের গলায় গাঢ় মালকোষ শুনে আবার ঘুমিয়ে গেছে এই নদীজল। অথচসম্পূর্ণ
আমরা কথা বলি ভিতরে ঢুকে পড়ে কার যেন ঠাণ্ডা হাত। আমরা বলি শাক সবজির মতোসম্পূর্ণ
আমারই তো অক্ষমতা তোমার গোলাপ জানি সারারাত খুলে রেখেছিল সাদা অন্ধকারে লাল বাঁকা সিঁড়ি দিকসম্পূর্ণ
পাগুলো কাঠেরআর নূপুরগুলো সোনারএইভাবেই সাজানো মঞ্চে নাচতে এসেছি আমরাএকটু আগে ছুটে গেল যে হলুদ বনহরিনীওরসম্পূর্ণ
তোমাদের মনে হতে পারে ছেলেখেলা, ইয়ার্কি ফাজলেমির নশ্বরতাও হয়তো বা,কিন্তু এই বুদবুদগুলো প্রকৃতপক্ষে আমার নিজস্বসম্পূর্ণ
একটি মৃত্যুর শোকেআজকের ভোরবেলা ভরে গেল স্মরনীয়তায়।অনেক দিনের পরেরৌদ্রকেও মনে হল শিল্পসচেতন। ঝাউবনে হাওয়ার বিলাপ:শুনেছোসম্পূর্ণ
এত ডাকাডাকি কেন?আমি তো রয়েছি জেগে সর্বসমক্ষেই।ঐ তো আমার ছেঁড়া চটি জুতো পড়ে আছেউদ্দাম সোপানে।আমারসম্পূর্ণ
বিশাখা একি! এ যে সারা জ্বলছে উনোন! চোখে যেন অগ্নিবৃষ্টি হয়েছে কখন, পুড়ে লাল ঠোটসম্পূর্ণ