নির্বাসনে নির্বাসিত প্রেমিক
একবিংশ শতাব্দীর কবিতার ষড়যন্ত্রকেঁড়ে নিয়েছে প্রেমিকার ঠোঁটের চুমু।কেড়ে নিয়েছে নির্ঘুম প্রেমিকের প্রেম বার্তা,উপহার স্বরূপ জমাটবদ্ধসম্পূর্ণ
তাহার অনুরাগে
অত্যান্ত রুঢ় বাস্তবতার সামনে দাড়িয়ে।ভয় করিলেই অনেক কিছু,জয় করিলে তাহা হয় সার্থকতা। কোন এক পূর্নিমাসম্পূর্ণ
স্পর্শ ও রহস্য
স্পর্শের আড়ালে লুকিয়ে,তোমায় কামুক উন্মাদায় মিশে উৎকর্ষ,সিমাহীন অন্তরায় বাহুবাঁধন মিলিয়ে যায়সৃষ্টির রহস্যে। দু-এক করে শারীরীকসম্পূর্ণ
জল জোছনার বিলবোর্ড
জোছনা রাত দিগন্ত আলোয় ঝলমল প্রকৃতি সেজে আছে আপন নিয়মে।ঝিঁঝিঁ পোকা গুলো অনবরত গান গেয়েসম্পূর্ণ
ভালো থাকার রোজনামচা
চোখের আলপথ ধরে এখানে এখন আর স্বপ্ন আসে না।তপ্ত জলের প্রতিটি ফোঁটায় ফোঁটায় এখানে ভেসেসম্পূর্ণ
বর্ষার চিঠি
প্রিয়তমাষুহিজলের বন ছুঁয়ে ঝিরিঝিরি বর্ষণে সেদিন তুমি এসে ছিলে। কেয়া, কদমের পাপড়ীতে মিশে। শালিক, শ্যামারাসম্পূর্ণ
অভিমান জংশন
আচ্ছা যদি প্রথম প্রভাতে এলোমেলো ঝড়ে হঠাৎ খুলে যায় জানালার কপাট, অসময়ে ভেঙে যাওয়া ঘুমচোখেসম্পূর্ণ
সপ্তবিংশতি
সপ্তবিংশতি তোমাকে পেয়েছিহয়তো আমার অবেলায় ;তোমাকে দেখেছি সপ্তর্শে, অষ্টাদশে;কতটা নিষ্পাপ,শুভ্র আর সরলায়।। সপ্তবিংশতি এখনো তুমি কৈশরী, সম্পূর্ণ
অনেক ছিল বলার
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে আজকেসম্পূর্ণ










