হুমায়ুন আজাদের প্রবচন (১৪১-১৬০)
বাঙলাদেশ অমরদের দেশ। এ-দেশের প্রতি বর্গমিটার মাটির নিচে পাঁচ জন ক’রে অমর ঘুমিয়ে আছেন। একবারসম্পূর্ণ
বাঙলাদেশ অমরদের দেশ। এ-দেশের প্রতি বর্গমিটার মাটির নিচে পাঁচ জন ক’রে অমর ঘুমিয়ে আছেন। একবারসম্পূর্ণ
মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে। পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নামসম্পূর্ণ
আমি নিজেই একটা প্রশ্ন তদ্রূপ আপনিও একটি প্রশ্ন সুতরাং উত্তর নিজেরটা খুঁজুন অন্যেরটা কখনো নয়,সম্পূর্ণ
কিশোর বয়সের সীমান্ত পেরিয়ে যুবক বয়সে এসে তোমার স্পর্শ বড্ড ডাকছে ওদিকে হৃদয়ের চিলেকোঠায় রঙিনসম্পূর্ণ
কুসুম-শয়নে যথা সুবর্ণ-মন্দিরেবিরাজে বীরেন্দ্র বলী ইন্দ্রজিত,তথাপশিল কূজন-ধ্বনি সে সুখ-সদনে।জাগিলা বীর-কুন্জর কুন্জবন-গীতে।প্রমীলার করপদ্ম করপদ্মে ধরিরথীন্দ্র, মধুরসম্পূর্ণ
অস্তে গেল দিনমণি; আইলা গোধূলি,—একটি রতন ভালে। ফুটিলা কুমুদী;মুদিলা সরসে আঁখি বিরসবদনানলিনী; কূজনি পাখী পশিলসম্পূর্ণ
বসন্ত এলো বলে তোমাকে বললাম, শাড়ি পড়ো। টকটকে লাল শাড়ি, যেখানে ডুবে যাবে আমার পুর্বাপর,সম্পূর্ণ
রাতের শেষ প্রহরে যখন তোমার নাভীমূলে জোৎস্না ঝরে পরেজ্বলজ্বলে জোনাক ফোটে তোমার স্তন বৃন্তেজাদুকরী ওষ্ঠেসম্পূর্ণ
পৃথিবীর সমস্ত খানকির পোলা ঘুমিয়ে গেলে আমি একটি সিগারেটের পুটকিতে নির্বিঘ্নে চুমু এঁকে দিতে পারতাম!সম্পূর্ণ
সুশীলরা এখানে আছেন না মদ না চুমু না গাঁজা না প্রেম না চোদাচুদি তারা কিছুইসম্পূর্ণ
রুদ্রের সাথে বেশ্যালয়ে বসে, নিকোটিনে গাঁজা মাখাতে মাখাতে, কখন তাকে ভালোবেসে ফেললাম-তা ইশ্বর জানে। অতিরিক্তসম্পূর্ণ
এইযে, এই যে শুনুন। আপনাকেই বলছি। আপনার ভালো’র জন্য বলছি। চলে যান এখান থেকে, চলেসম্পূর্ণ