| কবিতা | ছন্নছাড়া |
| কবি | নাইমুর রহমান |
| কাব্যগ্রন্থ | মহাকালের কাব্য |
| সময় | ০৪ জুলাই ২০২৬, রাত ৩:৪৫ মিনিট |
| উৎসর্গ | অচেনা সম্পর্কের সারথি-শুচিস্মিতা |
| লিখার স্থান | Summit West Gate Posada (Resort), Gandhi Road, Gandhi Gram, West Bengal, India |
| সম্পৃক্ততা | নীরব অভিমানের আড়ালে জমে থাকা না-বলা কথার এক গভীর অন্তর্দহন। |
ছন্নছাড়া-
তোমার আচরণে আমি কতটা আঘাত পেয়েছি,
তা কখনও চিৎকার করে বলিনি,
কোনো অভিযোগের ভাষায় উচ্চারণও করিনি।
শুধু নীরবে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি।
জানো তো…
সহ্যের সীমা যখন বাড়তে থাকে,
তখন মানুষ আর কাঁদে না—
বরং হাঁসে।
এক অদ্ভুত, অভিমানী হাসি।
অভিমান খুব গভীর দাগ রেখে যায়;
মানুষকে ভেতর থেকে নীরব করে দেয়।
আমি হার মানা কেউ নই,
তবু আমার নীরবতা আজ ভাসমান শূন্যতার মতো।
তোমাকে আর বোঝাতে পারলাম কোথায়?
আমার না-বলা কথাগুলো
তুমি কোনোদিন বুঝলে না,
বোঝার চেষ্টাও করলে না।
অবুঝ না-বলা আর না-জানার ফাঁকেই
আমাদের সবকিছু হারিয়ে গেল।
আমি সবকিছু সহ্য করে নিতাম বলেই,
সবাই আমার প্রতি কঠোর হতে দ্বিধা করতো না।
কিন্তু আমি যে মেনে নিতাম,
মানে সাবধানে বেছে নিতাম।
সেটা কেউ কোনোদিন বুঝতে চেষ্টা করল না।
অবশেষে—
সব কিছু মনে রাখলাম,
মেনে নিলাম,
কোনো অভিশাপ-অভিমান না করে দোয়াতে-
রেখে গেলাম।
তোমার—
অচেনা সম্পর্কের এক নীরব সারথি।
(নাইমুর রহমান)
কল্পনার জগতের গল্পকার—