| কবিতা | রাষ্ট্র ও রমণী |
| কবি | মাহু মাহবুব |
| কবিতার বিষয় | প্রতিবাদ, প্রেম, রাজনৈতিক |
রমণী! সুস্বাদু সুন্দরী ডাসা বুক
রমণী! খিদে লেগে থাকা দু’পায়ের ভাঁজে
নীলজ্যোৎস্নায় মাখা রাত্রিকালীন সুখ
রাষ্ট্রমানব শান দিতে থাকে এ সাম্রাজ্যে।
একটু পরেই শুরু হবে উল্লাস
সুরেতে-সুরাতে মাংসল আদিমতা,
রমণী! বাধ্যমূলক অনুগত ক্রীতদাস
শিশ্নে-যোনিতে নিয়মিত নীরবতা।
রাষ্ট্র বলে কি তবে থাকবে না খিদে?
আঠালো লাভাতে ক্ষমতার ছড়াছড়ি।
কাশ্মীর থেকে উন্নাও হয়ে গেদে,
রাষ্ট্রযন্ত্র শান দিতে থাকে তরবারি।
বশ না মানলে জোর করে বেঁধে ধরে
খাবলে কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়া সভ্যতা,
ভাগ হতে হতে কম পড়ে যায় গড়ে
নেশাতে-পেশাতে মাংশাসী হিংস্রতা।
ভুলেও রমণী! বিচার আবার কীসের?
খাদ্য-খাদক বাস্তুতান্ত্রিকতা,
শিশ্নের কাছে তুমি নিরুপায়, বড়ো ক্লিশে
দুর্ঘটনায় চাপা পড়ে যায় সব কথা।
রাষ্ট্রই তো! বড়ো স্বাভাবিক এই স্পৃহা
বাঁচতে চাইলে ফাঁক করে রেখো যোনিমুখ,
রমণী! তুমি সুস্বাদু বড়ো সুস্বাদু, লোভনীয়া
নীলজ্যোৎস্নায় মাখা রাত্রিকালীন সুখ।
