| কবিতা | একটি মেয়ের রণক্ষেত্র |
| কবি | আলমগীর কবীর |
| সময় | ০৭-০৭-২০২১ |
| উৎসর্গ | একটি মেয়ের সংগ্রামী জীবন |
| লিখার স্থান | নজরুল ছাত্রাবাস, আগরতলা |
| সম্পৃক্ততা | দরিদ্রতা, |
অনেকেই মেয়েদের তুচ্ছ মনে করে
আগের দিনেতো মেয়েদের মানুষই মনে করতোনা!
মহাপুরুষদের বিভিন সংস্কার আন্দোলন আর তাদের উন্নত চিন্তার ফসল আজকের এই নারী সমাজের কিছুটা উন্নতি।
তা কিছুটা উন্নতি বটে
কিন্তুু বিশাল একটা ভূখণ্ড সংস্কারের গন্ধটা আজও পায়নি
কোথাও তাদের ইচ্ছেগুলোকে সমর্থন করেছে সমাজ,
আবার কোথাও তাদের ইচ্ছের বিরোধিতা করেছে!
এভাবে সারা বিশ্বে নারীদের মধ্যে বৈচিত্রের মধ্যে অনৈক্যে রয়েছে!
কখনো তারা নিজেদের স্বক্ষমতায় বেড়ে উঠতে চাইলে
তাদের ইচ্ছা স্বপ্নগুলোকে মেরেফেলা হতো!
এখনো জ্যান্ত ইচ্ছেগুলোকে গলায় টিপে মেরেফেলা হচ্ছে সবার সামনে!
কেউ দেখে, আবার কেউ দেখেও দেখেনা
সাহস থাকলেও কেউ এদের হয়ে প্রতিবাদ করতে চায়না!
পরিকল্পিত ভাবে যে মেয়েদের তখন জোর করে দাবিয়ে রাখা হতো
আজ সেই মেয়েরাই মাথা নাড়া দিয়ে, সেই সমাজে সমান ভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী সম্মান নিয়ে যাচ্ছে।
আজ সমাজের একটা অংশ সেই মেয়েটার রোজগারের টাকায় খাচ্ছে নির্লজ্জের মতো!
যখন তাদের জীবনে বাধা আসে, পরিস্থিতির সাথে যুদ্ধ করে তখন কেউ তার পাশে দাড়াতে আসেনা!
যেইমাত্র একসাগর রক্তের বিনিময়ে যুদ্ধে জয়ী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়
তখন তার ডানে বামে, সামনে পেছনে শুধু বাহবাহ্ ধ্বনি শুনা যায়।
যদি সেই অসহায় পরিস্থিতির সময় কেউ একবার পাশে থেকে উৎসাহ দিতো
তখন হয়তো তার বাকি ইচ্ছে স্বপ্নগুলোও বেঁচে যেতো!
একটা স্বপ্নকে বাঁচানোর জন্য একাধিক ইচ্ছেকে চোখের সামনে মরতে দেখতে হতোনা!
আজ সেই মেয়েদেরই একজন —
তার ইচ্ছেগুলো হসপিটালের বিছানায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অসহায়ের মত,
আর সে তার পরিবারের ইচ্ছেগুলো পূরণ করে যাচ্ছে
ব্যথাগুলো বুকে জড়িয়ে চাদর ঢাকা অবস্থায়
কাউকে বুঝতে দেয়না, মুখে হাসি নেই
চোখে তেমন জলও নেই, বিনা অশ্রুতে কান্না
তবুও কেউ ফিরেও তাকায়না……!!!