| কবিতা | হাতেম তাই’র রসগোল্লা সেবন |
| কবি | নাশিদ ববি |
পাড়ার সবাই তাকে
ডাকত হাতেম তাই
কথায় কথায় তর্ক বিতর্ক
লোকে জানে অল্পতে রাগে উত্তেজিত হওয়া
সিংহের মত গর্জন করতে থাকে
হুঙ্কার দেয়ার দরকার কি আছে
খানার টেবিলে আস্ত মাছের মুড়া আর মুরগির ঠ্যাং
প্রতিদিন লাগবে তার
পকেটে নেই মুদ্রা তবুও শখের আবদার !
সবজি কর্মসূচি নিয়ে তালবাহানা
হৃদয়ে ভরপুর প্রেম আর ভালোবাসা
পাক্কা অভিনেতা তাকে দেখলেই মুখের হাসি
সামান্তরিক আকৃতি ধারণ করে
মুখের দাঁতগুলোর যে নকল দেখতে ভীষণ ভালো
আসলগুলো পোকায় খাওয়া
ক্ষুধার্ত সিংহের মুখে মজাদার খানা উপস্থাপন
সক্কাল বেলা বেলুন নিয়ে
শুরু হয়ে যায় তার সিংহী বউঝি যোগব্যায়ামের কর্মসূচি
তিরস্কার করার স্বভাব একেবারে রক্তে মিশে গেছে
অহেতুক ফোঁড়ন কাটা আর ক্ষুদ্রশব্দ প্রয়োগ
কানের রেশমি পর্দা ফেটে ফেটে অনেকটাই
ছিটারুটির মত হয়ে গেছে
হাড়কিপটে সেটা বলা যাবে না
তবে যা দেখে তাই সেবন করার সস্তা রুচি
আটার রুটি আর সবজি ভাঁজি
না এসব নাকি সভ্য জনে খায় না
হুকুমের উপর হুকুম আবদারের শেষ নেই
রসগোল্লা আর জাফরানি ইরানি চা
না কোন সবজি ভাঁজি
কি উদ্ভট কাণ্ডকারখানা
মন্ত্রপাঠ শুরু হল একনিষ্ঠভাবে
হাতেম তাইয়ের উচ্চাঙ্গ সংগীত কিছুটা অন্য দিকে নিক্ষেপ করিয়ে দেওয়া
তামাশায় ভরপুর সে জন খানা দেখলেই
বলে উঠে এতো খানা আমি খাই না
তারপর একটু একটু করে সবই খেয়ে নেয়
কপালের ভাঁজ গুলো আড়াল করা কি যায়
কর্মসূচির বারোটা বেজে গেছে