| কবিতা | বিষণ্ণ রাজা |
| কবি | নাশিদ ববি |
| সময় | সকাল ১১ টা |
| উৎসর্গ | রাজা কে |
| লিখার স্থান | হেঁশেল ঘর |
| সম্পৃক্ততা | হেঁশেল ঘরে তর্ক |
সময় যায় বুঝি কার্টুন দেখে
বিষণ্ণ রাজা ভাবে নিরবে
মাথা ব্যথা বাড়ে তার
দূর চিন্তা আসে বুঝি মনে মনে
রাজা বুঝি কি খাবে বল তো
সোনার থালা সাজাতে হবে তাই তো
থরে থরে নানান সুস্বাদু খাবার
দই ,মিষ্টি ,পুডিং ,আলুর চপ আর কত কি
ভীতু রাজা ভাবে এ হল আহারের পদ
লুচি ,পোলাউ ,কোরমা কোথায় গেল ?
সকলে তাকিয়ে থাকে সেই পাতের দিকে
আহা কত কি আবদার শুধু আহার আর আহার
রাঁধিতে রাঁধিতে গেল হাতের ছালা
খাবারে সময় ঘনিয়ে আসে
যদি পড়ে কোন কিছু
রাজার ঠিক চিৎকার শুরু করে
ঘণ্টি বাজে বুঝি
থালা নিয়ে সবে দাঁড়িয়ে পড়
দেখি ঘরের ভিতরে বড় একটা কালো বিড়াল বসে আছে
গর্জে উঠে রাজা ওরে বাচা কে আসিস কোথা
কে সাজাল আমার থালা এইভাবে
এই হতছারারা কেন দিলা না মগজ ভাঁজি টা
না রাজা না কেঁদে ভাসে বুক
নাটকের রাজ্যে নতুন প্রতিভা জন্ম হোক
হায় রে অহংকারী বিষণ্ণ রাজা
ছেঁড়া পকেট থেকে বের করে সে নকল টাকা
গুণে গুণে দিতে চায়
কেউ দু হাত পেতে নেয় আর দোয়া করে যায়
আর কেউ দেখে ভাবে আর হাসে
তামাশার ঘরে সদস্যদের তর্কতর্কি
তুমি কাকে দেখাও প্রাচীন বিষণ্ণ রাজা
হেঁশেল ঘরে সবাই কি আর এক রকম হয়
ও বোকা রাজা বিদ্যা যে তোমার এক টুকু নেই
সেটাই দেখি আর ভাবি
বোকা সবই বোকা
রাজ্য জুড়ে সব গাধা আর বোকা ।