| কবিতা | চকলেট গুড়ো |
| কবি | নাশিদ ববি |
| সময় | থালা বাসন ঝামা দিয়ে মাজার আগে |
| উৎসর্গ | কাউকে না |
| লিখার স্থান | সিনের সামনে দাঁড়িয়ে লেখা । |
| সম্পৃক্ততা | কাল্পনিক কথা । কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছুই বলা হয়নি । |
সাঁঝ সকালে পাখির ডাক
কুহু কুহু কুহু ডাকে পাপিয়া
গরম পানি আর চকলেট গুড়ো
সাথে একটু কফি আর চিনির দানা
নেড়ে চেড়ে ঢেলে দেয়া বড় মগে ।
সিনে জমে থাকা রাজ্যের থালাবাসন
পচা সাবানের গুড়ো আর জল মিশিয়ে
শুরু করে গাদা কঠিন কাজটি
কুহু খুহু ডাকে পাপিয়া
সরু আর ছোট হেঁশেল ঘরটি
মানুষে মানুষে ভীষণ ঠাসাঠাসি
কে কার আগে ধরবে উনুন
মুখে খই ফুটে আর ভাঁজি
মিষ্টি ভাষী ভীষণ চালু দস্যুরানী
কতভাবে যে চলে খেলা
কুহু কুহু ডাকে পাপিয়া
শুকনো মুড়ি আর এক গ্লাস পানি
খেয়ে নিলাম সুখের খাবার
জানি এর থেকে আর কি হবে রাজকীয় আহার
কুহু কুহু ডাকে পাপিয়া
পিঠে বড় দাগ হয়ে গেছে
মাথার চুল কমে গেছে
টেনে হিঁচড়ে ফেলে সকলে
গরম পানি ঝাঁপটা মারে
ভূতের ছানাগুলো দেখলে ঘৃণা বারে
ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়
উঁচু নিচুর সমান কি কখন হয়
প্রতিদিনের তেতো কথার মালা
লোহার ঘণ্টা বাজে বাজা
কতভাবে ভয় দেখায় তারা
পয়সা পেলেই ভীষণ আদরে ডাক আসে
ওগো প্রিয়া কলিজা
যতসব লোভী মানুষ চারপাশে
লোহার ঘণ্টা বাজে বাজা
আড় চোখে দেখে
হাসাহাসি চলে
গাদা দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়
খেঁক শিয়াল তারা
বোকা তোরা যদি বদলে যায় অবস্থা
যা করেছিস সবই ফেতর পাবি সময় বলে কথা
হাওয়া যে কথা বলে শন শন শব্দ করে
গাদা দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় খেঁক শিয়াল তারা
কুহু কুহু ডাকে পাপিয়া ।