বাংলা কবিতা, রেনেসান্স কাকপুরুষ সঙ-সদে কবিতা, কবি কৌশিক মজুমদার শুভ | কবিতা অঞ্চল
4/5 - (1 vote)

আমি সঙ্গত খুঁজি রাস্তা- সুউচ্চ মিনার; কি করে উড়িয়ে গুঁড়িয়ে চলে উড়ুক্কু মাছ ও মাছি- শুনেছি পয়গম্বর-” ইহাই একমাত্র দারুসসালাম”।  অতএব এই সঙ্গত গোঁজামিলে কেউ করে না বিলাপ- সঙসদে সঙ সাজা জানি প্রকৃতই প্রস্তাব- অথবা ডাস্টবিন, মোচড়ানো পলিথিন, পলিমার- স্বদেশ শকট এক আদ্যন্ত- ভাগাড়।  

পুনশ্চঃ এই সুউজ্জ্বল প্রগাঢ়তায়, হায়! প্রজ্ঞাবান প্রগতিশীলরা গতি হল্ট করে বসে- ক্লাউনের সমুজ্জ্বল সার্কাসে, ভাগ্যবান ভাগ্যিস ভাগ করে নথি- প্র ছুটে বেচাল চলে সুবোধ প্রগতি।  অবশ্য, এইখানে বিলম্বে গতি থিতু হয়ে আসে, থুথু চেটে থুবড়ে পড়ে বিবেক- হরদম হরএক- কেননা অনেকেই জানে হাঁকডাক কাক হয়ে যায়- সঙসদ সভায়- কাকা করে ডেকে ওঠেন কাকপুরুষ- ফাঁক বুঝে গলাচিঁড়ে ঢুকে পড়ে পলাতকা রোদ্দুর- আমি হাঁফসাই অথবা হাঁসফাঁস খাই- শকুনির ধ্বজভঙ্গ শ্লোক আওড়াই- অনেকেই বলেন জানেন প্রলয়- প্রলয়ে থাকে অনেকের নারীবুক ও আশ্রয়- অনেকের কবিতায়; নির্ভার হয়ে থাকে নির্ভয়।  শেষমেশ অদ্ভুত সকাল এসে গ্যালো- যেন অন্ধকারে ফসফার চুরমার হয়ে যায়; রেটিনায়- যেন অসংখ্য উল্লাসে ফোটন ভুলে গ্যালো ক্লাসিক বোলচাল- বারান্দায় নিভে চুকে গ্যালো রাত- চোখ মেলে উঁকি দিতে শুনি এসে গ্যালো- ঝলমলে আলোর প্রপাত- ডিগবাজি এন্টেনায় সিগন্যাল নাল হয়ে উবে যায়- ঘাস ফাঁস নির্যাস, অচকিত উল্লাস- বিতর্ক বর্তায়- রেঁনেসার আগে দেকার্তও এক শূণ্য নির্ভরতা দর্শায়।

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments