‘আবীর-রাঙ্গা পুরবি’
বারান্দায়,ইজিচেয়ারে বসা এক-মানবী!
গোধূলীতে,সঙ্গীহীন-ল্যাম্পপোষ্টে মিলিত আমি।
চিত্তপট চায়,হতে ললনার-অনুগামী!
মাতরিশা ঢেকে গেছে;
কুহেলির চাদরে—
ফুসফুস ডুবে যায়—
নিকোটিনের সাগরে।
পলকহীন চাহনিতে;দৃশ্যমান নৈরাশ্যের গহ্বর!
নিষ্প্রভ-জেল্লাতে,উত্থান পিকের; কু কু স্বর!
তখনো,বারান্দায় মাকড়সার জালটিতে চেয়ে আমি।
‘যামবতীর রজনীকান্ত কেও বশ করেছ সে তুমি!’
উর্বশীর রূপে,
আচমকিত স্বয়ং লোডশিডিং!
‘কেটে যায় স্বপ্নের ঘোর!’
‘তবুও দর্পনে উকি দেয় সে গঙ্গাফড়িং!’