তেভাগার ডায়েরি
আমি বিলাসিনীদের কাপড়ে নক্সা তুলি, সামান্য জীবিকাপোকা আলু আর আতপ দেয় হাত ভরেভাসুরের কাছাকাছি এলোচুলেসম্পূর্ণ
আমি বিলাসিনীদের কাপড়ে নক্সা তুলি, সামান্য জীবিকাপোকা আলু আর আতপ দেয় হাত ভরেভাসুরের কাছাকাছি এলোচুলেসম্পূর্ণ
এখানে জীবন বড় মায়াময়বদলে গিয়েছে সমাজ সময়এখানে সুখের ঘর বানিয়েছিতপ্ত দুপুরে সারা দিন এ সিতবুসম্পূর্ণ
ছড়া যে বানিয়েছিল, কাঁথা বুনেছিলদ্রাবিড় যে মেয়ে এসে গমবোনা শুরু করেছিলআর্যপুরুষের ক্ষেতে, যে লালন করেছিলসম্পূর্ণ
বালিকাকে যৌনহেনস্থার দায়ে স্কুলবাসের ড্রাইভার ও হেল্পার ধৃত- সম্পূর্ণ
কোথায়, কোথায় তিনি ?ওরা যে বলল এই মরুস্থানে তিনি হাসছেন ! আমাকে তোমরা কেন যেতেসম্পূর্ণ
ঘরের ভিতরে দীপ জ্বলে ওঠে সন্ধ্যায়—ধীরে ধীরে বৃষ্টি ক্ষান্ত হয় ভিজে চালে ডুমুরের পাতা ঝরে—শালিখসম্পূর্ণ
ঘাসের ভিতরে সেই চড়ায়ের শাদা ডিম ভেঙে আছে — আমি ভালোবাসিনিস্তব্ধ করুণ মুখ তার এইসম্পূর্ণ
চলে যাব শুকনো পাতা-ছাওয়া ঘাসে — জামরুল হিজলের বনে; তলতা বাঁশের ছিপ হাতে রবে —সম্পূর্ণ
চারিদিকে শান্ত বাতি — ভিজে গন্ধ — মৃদু কলরব;খেয়ানৌকোগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে;পৃথিবীর এইসম্পূর্ণ
শতাব্দীর এই ধূসর পথে এরা ওরা যে যার প্রতিহারী।আলো অন্ধকারের ক্ষণে যে যার মনে সময়সাগরেরক্লান্তিবিহীনসম্পূর্ণ
দেখা হল অনেক রক্ত রৌদ্র কোলাহল;চারিদিকে অধোমুখে মানুষেরা শব বহন করে;আজকে শতাব্দীতে মৃত্যু প্রথম কথা।সম্পূর্ণ